ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রীষ্মে দই খাওয়ার সঠিক উপায় ও উপকারী মশলা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহে শরীর ঠান্ডা রাখতে টক দই এক ধরনের প্রাকৃতিক স্বস্তি দিতে পারে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়াও স্বাভাবিক রাখে। বদহজম, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তির মতো সমস্যায় দই অনেক সময় উপকারী ভূমিকা রাখে।

তবে দইকে আরও কার্যকর ও স্বাদে ভিন্ন করতে এতে কিছু ঘরোয়া মশলা মেশানো যেতে পারে, যা পুষ্টিগুণও বাড়ায়।

হিং
এক চিমটি হিং মিশালে দইয়ের হজম সহায়ক গুণ বাড়ে। এটি পাচকরসের নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে, ফলে ভারী খাবারের পর আরাম পাওয়া যায়।

জিরেগুঁড়ো
ভাজা জিরেগুঁড়ো দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমতে পারে। অনেকেই এটিকে গরমের ক্লাসিক হজমবান্ধব খাবার হিসেবে গ্রহণ করেন।

গোলমরিচ
অল্প পরিমাণ গোলমরিচ দইয়ের সঙ্গে মিশালে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করতে পারে। তবে বেশি ব্যবহার করলে পেট গরম হয়ে যেতে পারে, তাই পরিমাণে সংযম জরুরি।

বিটনুন
সাধারণ লবণের বদলে বিটনুন দইয়ের স্বাদ বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। বিশেষ করে ভারী খাবারের পর দই-ঘোল হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

পুদিনা
পুদিনা দইকে আরও সতেজ ও শীতল করে তোলে। পুদিনা মিশানো দই বা রায়তা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং অম্বল বা বমিভাব কমাতেও কার্যকর হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গ্রীষ্মে দই খাওয়ার সঠিক উপায় ও উপকারী মশলা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহে শরীর ঠান্ডা রাখতে টক দই এক ধরনের প্রাকৃতিক স্বস্তি দিতে পারে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়াও স্বাভাবিক রাখে। বদহজম, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তির মতো সমস্যায় দই অনেক সময় উপকারী ভূমিকা রাখে।

তবে দইকে আরও কার্যকর ও স্বাদে ভিন্ন করতে এতে কিছু ঘরোয়া মশলা মেশানো যেতে পারে, যা পুষ্টিগুণও বাড়ায়।

হিং
এক চিমটি হিং মিশালে দইয়ের হজম সহায়ক গুণ বাড়ে। এটি পাচকরসের নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে, ফলে ভারী খাবারের পর আরাম পাওয়া যায়।

জিরেগুঁড়ো
ভাজা জিরেগুঁড়ো দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমতে পারে। অনেকেই এটিকে গরমের ক্লাসিক হজমবান্ধব খাবার হিসেবে গ্রহণ করেন।

গোলমরিচ
অল্প পরিমাণ গোলমরিচ দইয়ের সঙ্গে মিশালে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করতে পারে। তবে বেশি ব্যবহার করলে পেট গরম হয়ে যেতে পারে, তাই পরিমাণে সংযম জরুরি।

বিটনুন
সাধারণ লবণের বদলে বিটনুন দইয়ের স্বাদ বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। বিশেষ করে ভারী খাবারের পর দই-ঘোল হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

পুদিনা
পুদিনা দইকে আরও সতেজ ও শীতল করে তোলে। পুদিনা মিশানো দই বা রায়তা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং অম্বল বা বমিভাব কমাতেও কার্যকর হতে পারে।