ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিতে অপেক্ষা ১০ বছর, কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি ৭ নভেম্বর উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মহেশপুর সীমান্তের ধানক্ষেতে নারীর মরদেহ, পরিচয় মিলেছে যশোরে কাঁঠালিয়ায় অবৈধ ইটভাটার ১২০ ফুট চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন যশোরে শিশু-কিশোরদের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্পে বড় বিনিয়োগ, ব্যয়ের চাপ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এনআইডি সংশোধনের আড়ালে সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার জালিয়াতি নারী ক্রিকেটারকে যৌন হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে বিসিবি মামলায় হাজির না হওয়ায় পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা, ঘন কুয়াশায় বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তীব্র হতে পারে ৩টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী জানুয়ারিতে দেশের ওপর দিয়ে চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টি এবং সেগুলোর মধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. মমিনুল ইসলাম জানান, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

কতটা নামতে পারে তাপমাত্রা?

আবহাওয়া অধিদপ্তরের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, তাপমাত্রার ভিত্তিতে শৈত্যপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

  • মৃদু শৈত্যপ্রবাহ: তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  • মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ: তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  • তীব্র শৈত্যপ্রবাহ: তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আসন্ন শীত মৌসুমে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা, ঘন কুয়াশায় বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তীব্র হতে পারে ৩টি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী জানুয়ারিতে দেশের ওপর দিয়ে চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টি এবং সেগুলোর মধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. মমিনুল ইসলাম জানান, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

কতটা নামতে পারে তাপমাত্রা?

আবহাওয়া অধিদপ্তরের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, তাপমাত্রার ভিত্তিতে শৈত্যপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

  • মৃদু শৈত্যপ্রবাহ: তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  • মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ: তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  • তীব্র শৈত্যপ্রবাহ: তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আসন্ন শীত মৌসুমে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।