ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারত থেকে আমদানি করা চালে ক্যানসার সৃষ্টিকারী আফলাটক্সিন সোনার তৈরি রাস্তা, হাঁটা যাবে ২৪ ক্যারেটের পাতের ওপর আজ বেলা ১১টায় এইচএসসির ফল, অনলাইন-এসএমএসে জানবেন যেভাবে দীর্ঘদিনের টিনের চালাঘর পেরিয়ে কুড়িগ্রামে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক ভাওয়াইয়া পরিষদ ভবন পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন তামাক আটক, রাজস্ব ফাঁকির সন্দেহ নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল মহব্বত আলীর কঙ্কাল জটিল রোগে আক্রান্তদের পাশে সরকার, আরও বাড়বে চিকিৎসা সহায়তা: প্রতিমন্ত্রী টুকু ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ২৫ শতাংশ সরকারি ভাতা পেয়েছেন: এমপি জামাল সিইসি ও ইসি সচিবের বিরুদ্ধে আঁতাতের অভিযোগ গোলাম পরওয়ারের বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা, খুলনা রেঞ্জে প্রত্যাহার ২৮ পুলিশ সদস্য

সেন্টমার্টিনে পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১ নভেম্বর থেকে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণ ও রাতযাপনের সুযোগ চালু হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত দিনে শুরু হচ্ছে না জাহাজ চলাচল। প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পাওয়ায় দ্বীপে পর্যটক পরিবহনের কার্যক্রম নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সব অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী ৪ বা ৫ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে। তবে সেই সময়সূচিও এখনো নিশ্চিত নয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে এ তথ্য জানান সি-ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

উখিয়ার পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট ও সুগন্ধা পয়েন্টের দি সি প্রিন্সেস হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পর্যটন খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী।

হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, গত ১২ অক্টোবর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর ভিত্তিতে ২৫ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও পরে ২৭ অক্টোবর সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে ভ্রমণ ও রাতযাপনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না। বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি জাহাজের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে জাহাজ চালুর জন্য আরও তিনটি অনুমোদন প্রয়োজন—নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনুমতি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জেলা প্রশাসকের অনুমোদন। এসব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় ১ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনটি জাহাজ প্রস্তুত রয়েছে। এর সঙ্গে আরও সাতটি জাহাজ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ১ নভেম্বর থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটকের ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় সফটওয়্যার চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্বস্ত করেছেন। প্রয়োজনীয় অনুমোদন মিললে ৪ বা ৫ নভেম্বর জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে।

সভায় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, পরিবেশ-প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যেসব শর্ত দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা পাওয়ার ভিত্তিতেই জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শর্তের ব্যত্যয় ঠেকাতে ট্যুরিজম বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছেন।

তবে জাহাজ চলাচলের অনুমোদনের পাশাপাশি ঘাটের অবকাঠামো ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে পর্যটন খাতের প্রতিনিধিদের। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) সাধারণ সম্পাদক আকতার নুর বলেন, জাহাজ ছাড়ার জন্য নির্ধারিত জেটির পন্টুনের অবস্থা খুবই খারাপ। সেখানে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনারও ঘাটতি রয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহানের সভাপতিত্বে সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার কার্যালয়ের পুলিশ সুপার নিশাত এঞ্জেলা, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবদূত মজুমদার, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপন সংশোধনে বদলেছে ভ্রমণসূচি

সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে আগের বছরের শর্তগুলো বহাল রাখা হয়েছিল। সে অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে দিনে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার নিয়ম ছিল। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে পর্যটকদের রাতযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। এতে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক এবং জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

পরে ২৭ অক্টোবর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফিও বাতিল করা হয়েছে।

আগের মতো কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বিআইডব্লিউটিএর ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভ্রমণ ও রাতযাপনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং ঘাটের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হওয়ায় পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সেন্টমার্টিনে পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

১ নভেম্বর থেকে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণ ও রাতযাপনের সুযোগ চালু হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত দিনে শুরু হচ্ছে না জাহাজ চলাচল। প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পাওয়ায় দ্বীপে পর্যটক পরিবহনের কার্যক্রম নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সব অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী ৪ বা ৫ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে। তবে সেই সময়সূচিও এখনো নিশ্চিত নয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে এ তথ্য জানান সি-ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

উখিয়ার পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট ও সুগন্ধা পয়েন্টের দি সি প্রিন্সেস হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পর্যটন খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী।

হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, গত ১২ অক্টোবর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর ভিত্তিতে ২৫ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও পরে ২৭ অক্টোবর সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে ভ্রমণ ও রাতযাপনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না। বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি জাহাজের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে জাহাজ চালুর জন্য আরও তিনটি অনুমোদন প্রয়োজন—নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনুমতি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) রুট পারমিট এবং জেলা প্রশাসকের অনুমোদন। এসব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় ১ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনটি জাহাজ প্রস্তুত রয়েছে। এর সঙ্গে আরও সাতটি জাহাজ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ১ নভেম্বর থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটকের ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় সফটওয়্যার চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্বস্ত করেছেন। প্রয়োজনীয় অনুমোদন মিললে ৪ বা ৫ নভেম্বর জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে।

সভায় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, পরিবেশ-প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যেসব শর্ত দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা পাওয়ার ভিত্তিতেই জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শর্তের ব্যত্যয় ঠেকাতে ট্যুরিজম বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজ করছেন।

তবে জাহাজ চলাচলের অনুমোদনের পাশাপাশি ঘাটের অবকাঠামো ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে পর্যটন খাতের প্রতিনিধিদের। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) সাধারণ সম্পাদক আকতার নুর বলেন, জাহাজ ছাড়ার জন্য নির্ধারিত জেটির পন্টুনের অবস্থা খুবই খারাপ। সেখানে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনারও ঘাটতি রয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহানের সভাপতিত্বে সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার কার্যালয়ের পুলিশ সুপার নিশাত এঞ্জেলা, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবদূত মজুমদার, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপন সংশোধনে বদলেছে ভ্রমণসূচি

সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে আগের বছরের শর্তগুলো বহাল রাখা হয়েছিল। সে অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে দিনে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার নিয়ম ছিল। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে পর্যটকদের রাতযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। এতে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক এবং জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

পরে ২৭ অক্টোবর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফিও বাতিল করা হয়েছে।

আগের মতো কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় বিআইডব্লিউটিএর ঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভ্রমণ ও রাতযাপনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং ঘাটের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হওয়ায় পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।