ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন তামাক আটক, রাজস্ব ফাঁকির সন্দেহ নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল মহব্বত আলীর কঙ্কাল জটিল রোগে আক্রান্তদের পাশে সরকার, আরও বাড়বে চিকিৎসা সহায়তা: প্রতিমন্ত্রী টুকু ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ২৫ শতাংশ সরকারি ভাতা পেয়েছেন: এমপি জামাল সিইসি ও ইসি সচিবের বিরুদ্ধে আঁতাতের অভিযোগ গোলাম পরওয়ারের বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা, খুলনা রেঞ্জে প্রত্যাহার ২৮ পুলিশ সদস্য শীতের সবজি উঠলেও কমছে না দাম; নতুন আলু ১৬০, দেশি টমেটো ২২০ টাকা মাছ ধরতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না, বজ্রপাতে প্রাণ গেল ছয়জনের গোরস্থানের ভেতর থেকে ১ কেজি ৩৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ উৎপাদন, দুইজনের কারাদণ্ড

নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল মহব্বত আলীর কঙ্কাল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিখোঁজ হওয়ার সাড়ে তিন বছর পর হবিগঞ্জের মাধবপুরে মহব্বত আলী (৩৯) নামের এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উপজেলার রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে তাঁর কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রহস্যে ঘেরা মহব্বত আলীর নিখোঁজের ঘটনা সামনে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রামনগর গ্রামের শাহ আলম (৪২), তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৪), জয়নাল মিয়া ও ইয়াছিন মিয়া।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহব্বত আলী একই গ্রামের রুসমত আলীর ছেলে। পেশায় কৃষক হলেও স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেন তিনি। এ কারণে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন মহব্বত আলী।

২০২৩ সালের ৩০ জুলাই হঠাৎ নিখোঁজ হন তিনি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরে এ ঘটনায় তাঁর ভাই রুসমত আলী বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা করেন।

এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মহব্বত আলীর নিখোঁজ হওয়ার রহস্যের কোনো কিনারা হয়নি। অবশেষে দীর্ঘ অনুসন্ধান, তদন্ত ও প্রযুক্তির সহায়তায় এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান জানান, দীর্ঘ তদন্তের পর এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তবে মহব্বত আলী কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল মহব্বত আলীর কঙ্কাল

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

নিখোঁজ হওয়ার সাড়ে তিন বছর পর হবিগঞ্জের মাধবপুরে মহব্বত আলী (৩৯) নামের এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উপজেলার রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে তাঁর কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রহস্যে ঘেরা মহব্বত আলীর নিখোঁজের ঘটনা সামনে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রামনগর গ্রামের শাহ আলম (৪২), তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৪), জয়নাল মিয়া ও ইয়াছিন মিয়া।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহব্বত আলী একই গ্রামের রুসমত আলীর ছেলে। পেশায় কৃষক হলেও স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেন তিনি। এ কারণে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন মহব্বত আলী।

২০২৩ সালের ৩০ জুলাই হঠাৎ নিখোঁজ হন তিনি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরে এ ঘটনায় তাঁর ভাই রুসমত আলী বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা করেন।

এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মহব্বত আলীর নিখোঁজ হওয়ার রহস্যের কোনো কিনারা হয়নি। অবশেষে দীর্ঘ অনুসন্ধান, তদন্ত ও প্রযুক্তির সহায়তায় এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান জানান, দীর্ঘ তদন্তের পর এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তবে মহব্বত আলী কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।