ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়ে ইসির চিঠি এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ঝালকাঠিতে ১৬০ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় সিসিটিভি শেষ তুলির আঁচড়ে দুর্গাপ্রতিমায় প্রাণ, উৎসবের অপেক্ষায় ইসলামপুর নোয়াখালীতে হাসপাতালের জানালার গ্রিল কেটে ৯ লাখ টাকা চুরি চাহিদা মিটিয়ে ডিম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের হয়রানি নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা, শিগগিরই চালু যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে হামের চাপ, শয্যা সংকটে এক বিছানায় একাধিক শিশু

ফ্যামিলি কার্ডে ৮ বাধা, কারা পাবেন সুবিধা আর কারা বাদ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি : এআই দ্বারা নির্মিত

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফ্যামিলি কার্ড পেতে কারা যোগ্য, আর কোন কারণে বাদ পড়তে পারেন—এ নিয়ে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে বাড়ছে কৌতূহল। দেশজুড়ে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলার মধ্যে সামনে এসেছে সুবিধাভোগী নির্বাচনের বিভিন্ন শর্ত। নির্ধারিত আটটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ হলে মিলবে না ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ফ্যামিলি কার্ড থানা তথ্যভান্ডার নির্দেশিকা, ২০২৬’-এর বরাতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার পাবেন হতদরিদ্র, ভূমিহীন, দিনমজুর ও অসচ্ছল নারীপ্রধান পরিবার। তবে শুধু দরিদ্র হলেই কার্ড পাওয়া নিশ্চিত নয়; পরিবারের আয়, সম্পদ, চাকরি, পেনশন ও অন্যান্য সরকারি সুবিধার তথ্য যাচাই করেই চূড়ান্ত তালিকা করা হবে।

অগ্রাধিকার পাবেন যাঁরা

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে—

  • হতদরিদ্র ও দিনমজুর পরিবার: উপার্জনে সক্ষম সদস্যহীন পরিবার, ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক ও নিম্ন আয়ের পরিবার।
  • অসচ্ছল নারীপ্রধান পরিবার: বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, স্বামী পরিত্যক্তা এবং অসচ্ছল নারীর নেতৃত্বাধীন পরিবার।
  • কিশোরী রয়েছে এমন পরিবার: ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবিবাহিত মেয়ে রয়েছে—এমন পরিবার।
  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্য থাকা পরিবার: শিশু, প্রতিবন্ধী বা অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সদস্য রয়েছে—এমন পরিবার।
  • প্রত্যাগত অভিবাসীর পরিবার: বিশেষ করে নারী অভিবাসী সদস্য থাকা পরিবার।
  • ভূমিহীন ও কাঁচা বাড়ির পরিবার: মাটি, বাঁশ বা পাটকাঠির দেয়ালযুক্ত বাড়িতে বসবাসকারী এবং কৃষিজমিহীন দরিদ্র পরিবার।
  • সীমিত বসতভিটার পরিবার: সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বসতভিটা রয়েছে, কিন্তু কৃষিজমি নেই—এমন পরিবারও নির্ধারিত শর্তে বিবেচিত হতে পারে।

তবে এসব বৈশিষ্ট্য থাকলেই কার্ড নিশ্চিত নয়। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ও সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যে ৮ কারণে বাদ পড়তে পারেন

নির্দেশিকার বরাতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিচের শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হলে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাওয়া যাবে না।

১

পিএমটি স্কোর বেশি হলে

প্রক্সি মিনস টেস্ট (PMT) পদ্ধতিতে পরিবারের স্কোর সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা ছাড়িয়ে গেলে কার্ড পাওয়া যাবে না।

২

নারীপ্রধানের সরকারি বা এমপিওভুক্ত চাকরি থাকলে

পরিবারের নারীপ্রধান সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে কিংবা এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী হলে পরিবারটি বাদ পড়তে পারে।

৩

সরকারি পেনশন পেলে

মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি পেনশন বা অবসর সুবিধা পেলে পরিবারটি কর্মসূচির বাইরে থাকতে পারে। প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য প্রযোজ্য বিশেষ পেনশনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ রয়েছে।

৪

সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংকে ৫ লাখ টাকার বেশি থাকলে

পরিবারের কোনো সদস্যের নামে জাতীয় সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ অথবা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডিপিএস, এফডিআর কিংবা সঞ্চয় হিসেবে ৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ থাকলে কার্ড মিলবে না।

৫

তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে

পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত সিএনজি, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক বা মাইক্রোবাস থাকলে পরিবারটি বাদ পড়তে পারে।

৬

বড় ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকলে

পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বড় ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকলে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া যাবে না।

৭

করযোগ্য আয় ও নিয়মিত কর প্রদান করলে

পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তাঁর করযোগ্য আয় থাকলে পরিবারটি কর্মসূচির বাইরে থাকতে পারে।

৮

জমি বা বাণিজ্যিক সম্পদ নির্ধারিত সীমা ছাড়ালে

বসতভিটাসহ পরিবারের আবাদি জমি ৫০ শতক বা তার বেশি হলে কিংবা অকৃষি বা বাণিজ্যিক জায়গার বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলে কার্ড পাওয়ার সুযোগ থাকবে না বলে নির্দেশিকার বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই পরিবারে একাধিক কার্ড নয়

একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না। অন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তথ্যও যাচাই করা হবে, যাতে একই ব্যক্তি বা পরিবার একাধিকবার সুবিধা না পায়।

এ জন্য সরকারি সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য মিলিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।

তথ্য যাচাই হবে যেভাবে

বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর তা যাচাই-বাছাই করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, করসংক্রান্ত তথ্য, সঞ্চয়পত্র ও পেনশনের তথ্যসহ বিভিন্ন সরকারি ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হতে পারে।

যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপকারভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্থ স্থানান্তর বা জিটুপি (G2P) পদ্ধতি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

কার্ড করতে টাকা লাগবে?

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কার্ড করে দেওয়ার নামে কেউ অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতারণার শিকার হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফ্যামিলি কার্ডে ৮ বাধা, কারা পাবেন সুবিধা আর কারা বাদ?

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড পেতে কারা যোগ্য, আর কোন কারণে বাদ পড়তে পারেন—এ নিয়ে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে বাড়ছে কৌতূহল। দেশজুড়ে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলার মধ্যে সামনে এসেছে সুবিধাভোগী নির্বাচনের বিভিন্ন শর্ত। নির্ধারিত আটটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ হলে মিলবে না ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ফ্যামিলি কার্ড থানা তথ্যভান্ডার নির্দেশিকা, ২০২৬’-এর বরাতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার পাবেন হতদরিদ্র, ভূমিহীন, দিনমজুর ও অসচ্ছল নারীপ্রধান পরিবার। তবে শুধু দরিদ্র হলেই কার্ড পাওয়া নিশ্চিত নয়; পরিবারের আয়, সম্পদ, চাকরি, পেনশন ও অন্যান্য সরকারি সুবিধার তথ্য যাচাই করেই চূড়ান্ত তালিকা করা হবে।

অগ্রাধিকার পাবেন যাঁরা

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে—

  • হতদরিদ্র ও দিনমজুর পরিবার: উপার্জনে সক্ষম সদস্যহীন পরিবার, ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক ও নিম্ন আয়ের পরিবার।
  • অসচ্ছল নারীপ্রধান পরিবার: বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, স্বামী পরিত্যক্তা এবং অসচ্ছল নারীর নেতৃত্বাধীন পরিবার।
  • কিশোরী রয়েছে এমন পরিবার: ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবিবাহিত মেয়ে রয়েছে—এমন পরিবার।
  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্য থাকা পরিবার: শিশু, প্রতিবন্ধী বা অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সদস্য রয়েছে—এমন পরিবার।
  • প্রত্যাগত অভিবাসীর পরিবার: বিশেষ করে নারী অভিবাসী সদস্য থাকা পরিবার।
  • ভূমিহীন ও কাঁচা বাড়ির পরিবার: মাটি, বাঁশ বা পাটকাঠির দেয়ালযুক্ত বাড়িতে বসবাসকারী এবং কৃষিজমিহীন দরিদ্র পরিবার।
  • সীমিত বসতভিটার পরিবার: সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বসতভিটা রয়েছে, কিন্তু কৃষিজমি নেই—এমন পরিবারও নির্ধারিত শর্তে বিবেচিত হতে পারে।

তবে এসব বৈশিষ্ট্য থাকলেই কার্ড নিশ্চিত নয়। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ও সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যে ৮ কারণে বাদ পড়তে পারেন

নির্দেশিকার বরাতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিচের শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হলে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাওয়া যাবে না।

১

পিএমটি স্কোর বেশি হলে

প্রক্সি মিনস টেস্ট (PMT) পদ্ধতিতে পরিবারের স্কোর সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা ছাড়িয়ে গেলে কার্ড পাওয়া যাবে না।

২

নারীপ্রধানের সরকারি বা এমপিওভুক্ত চাকরি থাকলে

পরিবারের নারীপ্রধান সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলে কিংবা এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারী হলে পরিবারটি বাদ পড়তে পারে।

৩

সরকারি পেনশন পেলে

মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি পেনশন বা অবসর সুবিধা পেলে পরিবারটি কর্মসূচির বাইরে থাকতে পারে। প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য প্রযোজ্য বিশেষ পেনশনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ রয়েছে।

৪

সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংকে ৫ লাখ টাকার বেশি থাকলে

পরিবারের কোনো সদস্যের নামে জাতীয় সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ অথবা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডিপিএস, এফডিআর কিংবা সঞ্চয় হিসেবে ৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ থাকলে কার্ড মিলবে না।

৫

তিন বা চার চাকার মোটরযান থাকলে

পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত সিএনজি, কার, জিপ, পিকআপ, বাস, ট্রাক বা মাইক্রোবাস থাকলে পরিবারটি বাদ পড়তে পারে।

৬

বড় ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকলে

পরিবারের কোনো সদস্যের নামে বড় ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকলে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া যাবে না।

৭

করযোগ্য আয় ও নিয়মিত কর প্রদান করলে

পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে এবং তাঁর করযোগ্য আয় থাকলে পরিবারটি কর্মসূচির বাইরে থাকতে পারে।

৮

জমি বা বাণিজ্যিক সম্পদ নির্ধারিত সীমা ছাড়ালে

বসতভিটাসহ পরিবারের আবাদি জমি ৫০ শতক বা তার বেশি হলে কিংবা অকৃষি বা বাণিজ্যিক জায়গার বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলে কার্ড পাওয়ার সুযোগ থাকবে না বলে নির্দেশিকার বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই পরিবারে একাধিক কার্ড নয়

একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না। অন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তথ্যও যাচাই করা হবে, যাতে একই ব্যক্তি বা পরিবার একাধিকবার সুবিধা না পায়।

এ জন্য সরকারি সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য মিলিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।

তথ্য যাচাই হবে যেভাবে

বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর তা যাচাই-বাছাই করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, করসংক্রান্ত তথ্য, সঞ্চয়পত্র ও পেনশনের তথ্যসহ বিভিন্ন সরকারি ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হতে পারে।

যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপকারভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্থ স্থানান্তর বা জিটুপি (G2P) পদ্ধতি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

কার্ড করতে টাকা লাগবে?

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কার্ড করে দেওয়ার নামে কেউ অর্থ দাবি করলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতারণার শিকার হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।