ইলিশ বাংলাদেশের গর্ব, সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
ইলিশ বাংলাদেশের গর্ব উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিশ্বে উৎপাদিত মোট ইলিশের প্রায় ৭০ শতাংশই বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। মা ইলিশ সংরক্ষণ করা গেলে দেশে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। তাই ইলিশ রক্ষায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল সদরের কাকুয়া স্কুল মাঠে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি আয়োজিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’ উপলক্ষে সচেতনতা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণকালীন সময়ে সরকার জেলেদের সহযোগিতা করছে। বর্তমানে প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। গত বছর কেউ সহায়তা পেয়েছেন, কেউ পাননি; তবে এবার সবাই সহায়তা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে কার্ড দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ নিয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনাতেই ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য সারাদেশে লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। কেউ বাদ পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি জানাতে হবে।
কেউ ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা চাইলে তা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের কেউ এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের বিষয়েও জানাতে হবে। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কেউ মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজে মাদক সেবন ও বিক্রির সুযোগ দেওয়া হবে না।
চরাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। পাশাপাশি চরাঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান ও আর্থিক উন্নয়নে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
চরের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি হাসপাতাল নির্মাণের আশ্বাসও দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে চরাঞ্চলের মানুষকে চিকিৎসার জন্য শহরে যেতে না হয়।
অনুষ্ঠানে কাকুয়া ইউনিয়নের ২৪৯টি জেলে পরিবারের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। পরে ওমরপুর ব্রিজসংলগ্ন নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
























