ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হামের সংক্রমণ কমার বদলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে, একদিনে আরও ৮ মৃত্যু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১ হাজার ৬০৮ জানুয়ারিতে নতুন বই, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে ইউনিফর্ম: শিক্ষামন্ত্রী অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেবে না বিএনপি সরকার : সালাউদ্দিন টুকু ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া তখন ভারতের সামনে বিকল্প ছিল না’ বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান-চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বিয়ে-তালাকের তথ্য যাবে অনলাইনে, কমবে গোপন বিয়ে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা: আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ মানবাধিকার ও আইনের শাসন নিশ্চিতের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

‘শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া তখন ভারতের সামনে বিকল্প ছিল না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেখ হাসিনাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ২০২৪ সালের ওই পরিস্থিতিতে ভারতের হাতে আর কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি) ২০২৬-এর একটি অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পুরোনো বন্ধু হিসেবে ওই পরিস্থিতিতে ভারতের পক্ষ থেকে যা করার প্রয়োজন ছিল, তারা সেটিই করেছে। শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত, তা বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে পৌঁছান—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, তাঁকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সামরিক বিমানে করে ভারতে যান।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়া চলমান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আদালতও যুক্ত রয়েছে। ফলে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা সময়সূচি দেওয়া সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুরোধটি তাদের প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্য, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে নিজেদের আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টিও সেই আইনগত কাঠামোর মধ্যেই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকেও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বাংলাদেশ তখন ভারতকে প্রক্রিয়াটি দ্রুত করার আহ্বান জানিয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া তখন ভারতের সামনে বিকল্প ছিল না’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

শেখ হাসিনাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ২০২৪ সালের ওই পরিস্থিতিতে ভারতের হাতে আর কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি) ২০২৬-এর একটি অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পুরোনো বন্ধু হিসেবে ওই পরিস্থিতিতে ভারতের পক্ষ থেকে যা করার প্রয়োজন ছিল, তারা সেটিই করেছে। শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত, তা বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে পৌঁছান—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, তাঁকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সামরিক বিমানে করে ভারতে যান।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়া চলমান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আদালতও যুক্ত রয়েছে। ফলে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা সময়সূচি দেওয়া সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুরোধটি তাদের প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্য, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে নিজেদের আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টিও সেই আইনগত কাঠামোর মধ্যেই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকেও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বাংলাদেশ তখন ভারতকে প্রক্রিয়াটি দ্রুত করার আহ্বান জানিয়েছিল।