ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া তখন ভারতের সামনে বিকল্প ছিল না’ বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান-চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বিয়ে-তালাকের তথ্য যাবে অনলাইনে, কমবে গোপন বিয়ে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা: আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ মানবাধিকার ও আইনের শাসন নিশ্চিতের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর তিন মাসের মধ্যে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাবে কেরানীগঞ্জে নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫ কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে জয়পুরহাটে ২০০ তালের চারা রোপণ

মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ দাফন, সৎকার ও পরিবহনের তাৎক্ষণিক ব্যয় মেটাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ অর্থ মঞ্জুরির কথা জানানো হয়। বরাদ্দের অর্থ দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অনুকূলে ছাড় করা হবে।

১৮ কোটি টাকার দাফন অনুদান থেকে বরাদ্দ

মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় যুদ্ধাহত ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা খাতের দাফন বাবদ অনুদানের জন্য বরাদ্দ করা ১৮ কোটি টাকা থেকে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নিজ নিজ জেলা বা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য নির্ধারিত সারণি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে মোট বরাদ্দের অথোরিটি পাঠাতে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারকে অনুরোধ করা হয়েছে।

যে কাজে ব্যয় করা যাবে টাকা

মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বরাদ্দ করা অর্থ শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ সৎকার, সমাহিত ও মৃতদেহ পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা যথাযথ বিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা ট্রেজারি থেকে অর্থ উত্তোলন করবেন। একই সঙ্গে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিতরণকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দিতে হবে

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৭-এর পর বরাদ্দের কোনো অর্থ অব্যয়িত থাকলে তা সরকারি কোষাগারের নির্ধারিত খাতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বাজেট) ডা. মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত আদেশটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য সিস্টেম এনালিস্টকেও অনুরোধ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ দাফন, সৎকার ও পরিবহনের তাৎক্ষণিক ব্যয় মেটাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ অর্থ মঞ্জুরির কথা জানানো হয়। বরাদ্দের অর্থ দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অনুকূলে ছাড় করা হবে।

১৮ কোটি টাকার দাফন অনুদান থেকে বরাদ্দ

মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় যুদ্ধাহত ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা খাতের দাফন বাবদ অনুদানের জন্য বরাদ্দ করা ১৮ কোটি টাকা থেকে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসন নিজ নিজ জেলা বা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য নির্ধারিত সারণি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে মোট বরাদ্দের অথোরিটি পাঠাতে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারকে অনুরোধ করা হয়েছে।

যে কাজে ব্যয় করা যাবে টাকা

মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বরাদ্দ করা অর্থ শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ সৎকার, সমাহিত ও মৃতদেহ পরিবহনের কাজে ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা যথাযথ বিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা ট্রেজারি থেকে অর্থ উত্তোলন করবেন। একই সঙ্গে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিতরণকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দিতে হবে

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৭-এর পর বরাদ্দের কোনো অর্থ অব্যয়িত থাকলে তা সরকারি কোষাগারের নির্ধারিত খাতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বাজেট) ডা. মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত আদেশটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য সিস্টেম এনালিস্টকেও অনুরোধ করা হয়েছে।