নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকে বাড়তি বেতন

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন–ভাতা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনটি ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন বেতনকাঠামোর বর্ধিত মূল বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। আগামী ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি নতুন কাঠামো অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বকেয়া বেতনও পাবেন।
ধাপে ধাপে বাড়বে মূল বেতন
নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত—
নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন।
১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়তি মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন।
এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
অন্যদিকে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন।
এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির পুরো অংশ কার্যকর হবে।
ভাতা ও পেনশন সুবিধা
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় অন্যান্য ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একই সময় থেকে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন কাঠামোর সব সুবিধা পাবেন।
নতুন বেতনকাঠামোতে প্রথম থেকে দশম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ভাতাও বাড়বে।
যেভাবে চূড়ান্ত হলো নতুন বেতনকাঠামো
গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই প্রজ্ঞাপন জারি করল অর্থ বিভাগ।
এর আগে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ প্রণয়নে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিটি পরে সুপারিশ চূড়ান্ত করে।
অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের প্রায় এক যুগ পর, ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।

























