স্ত্রীর মরদেহ মর্গে রেখে পালালেন স্বামী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বামী হাফেজ মোল্লার নির্মম নির্যাতনে সামিয়া আক্তার নিশু (৩০)নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় পর হাসতালের মর্গে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় স্বামী হাফেজ মোল্লা।
নিহত সামিয়া আক্তার নিশু ৩ সন্তানের জননী। তিনি রামগঞ্জ উপজেলা ৩নং ভাদুর ইউনিয়ন জয়নকের বাড়ির দোলোয়ার হোসেন এর মেয়ে। স্বামী হাফেজ মোল্লা একই ইউনিনের উত্তর গ্রাম মাইজের বাড়ির সিরাজ মোল্লার ছেলে।
নিহতের মা কুসুম বেগম অভিযোগ করে বলেন,বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ের উপর তার স্বামী পাশবিক নির্যাতন করতো। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) তাকে মারধর করে প্রথমে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে গত বুধবার(২৪ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামিয়া আক্তার নিশুর মৃত্যু হয়। এঘটনার পর লাশ হাসপাতালের মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় স্বামী হাফেজ মোল্লা। পরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির নাম্বার থেকে বিষয়টি পরিবারকে অবগত করা হলে। পরিবারের লোকজন সহ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহ বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার(২৬জুন) বিকেলে বাবার বাড়িতে নিহত নিশুর জানাযা শেষে পরিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
এই ঘটনায় হাফেজ মোল্লার ভাই আলামিন বলেন,সন্ত্রাস ও নির্যাতনকারী যেই হোক না কেন তার বিচার হওয়া প্রয়োজন। এসময় তিনি সামিয়া আক্তার নিশুর উপর নির্যাতনের কথা শিকার করেভাই হাফেজ মোল্লার বিচারের দাবী করেন।
নিহতের বোন সুমাইয়া আক্তার বলেন, আমার বোনকে নির্যাতন ও জোরপূর্বক বিষপান করিয়ে করে হত্যা করা হয়েছে। পরে ঢাকার শহীদ সরোওয়ার্দী হাসপাতালে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় তার স্বামী হাফেজ মোল্লা।আমারা এই খুনির ফাঁসি চাই।
এ ঘটনার নিহতের বাবা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন,ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) শেরেবাংলা নগর থানা পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী,সামিয়া আক্তার নিশু বিষপানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মৃত্যু হয়।তিনি আরো বলেন,শেরেবাংলা নগর থানায় পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টের জন্য চিটি পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

















