ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি, দুই সিটির দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক শরণখোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু রাজধানীর বর্জ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গাড়ি চালিয়ে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী চামড়ার বাজারে ধস, ছাগলের চামড়ায় মিলছে না রিকশা ভাড়াও টাঙ্গাইল শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে মাঠে প্রতিমন্ত্রী টুকু মুষলধারে বৃষ্টিতে স্বস্তি, তবু জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি রাজশাহীতে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ হামে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৮ হাজার ছাড়াল

কৃত্রিম ডিম থেকে জন্ম নিল মুরগিছানা, উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানীরা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডিম আগে না মুরগি—চিরচেনা সেই প্রশ্নে এবার যেন নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিমভাবে তৈরি ডিম থেকে সফলভাবে জন্ম নিয়েছে মুরগিছানা। আর এই সাফল্যকে ভবিষ্যতের যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন গবেষকেরা।

বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য শুধু মুরগি উৎপাদন নয়; বরং বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণীদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। সেই লক্ষ্যেই চলছে জিন ও ডিএনএভিত্তিক গবেষণা।

গবেষণার কেন্দ্রে রয়েছে বিলুপ্ত বিশালাকার পাখি ‘জায়ান্ট মোয়া’। Giant Moa একসময় নিউজিল্যান্ড অঞ্চলে বিচরণ করা এই পাখির উচ্চতা ছিল প্রায় ১২ ফুট। দেখতে অনেকটা উটপাখি বা এমুর মতো হলেও এরা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পাখিদের অন্যতম। তবে উড়তে পারত না তারা।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, মানুষের বসতি বিস্তার, নির্বিচার শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে প্রায় ৬০০ বছর আগে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় জায়ান্ট মোয়ার সব প্রজাতি।

এবার সেই পাখিকে ফিরিয়ে আনতেই কাজ করছে একটি মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তাদের পরিকল্পনা হলো, ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম ডিম তৈরি করা এবং সেখান থেকেই জন্ম দেওয়া বিলুপ্ত প্রাণীর নতুন প্রজন্ম।

এই প্রকল্পের প্রাথমিক পরীক্ষামূলক ধাপে ব্যবহার করা হয়েছে মুরগি। গবেষকেরা একাধিক কৃত্রিম মুরগির ডিম তৈরি করেন এবং সেখান থেকে সফলভাবে জন্ম নেয় ২৪টি মুরগিছানা। বিজ্ঞানীদের দাবি, এসব ছানার আচরণ ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য স্বাভাবিকভাবে জন্মানো মুরগির মতোই।

এই সাফল্যে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন গবেষকেরা। তাদের মতে, পরীক্ষাটি ভবিষ্যতে বিলুপ্ত প্রাণী পুনরুজ্জীবনের পথ আরও সহজ করে দিতে পারে।

জায়ান্ট মোয়ার পর গবেষণার পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে বিলুপ্ত পাখি Dodo। পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে হারিয়ে যাওয়া আরও প্রাণীকে ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কৃত্রিম ডিম থেকে জন্ম নিল মুরগিছানা, উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানীরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

ডিম আগে না মুরগি—চিরচেনা সেই প্রশ্নে এবার যেন নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিমভাবে তৈরি ডিম থেকে সফলভাবে জন্ম নিয়েছে মুরগিছানা। আর এই সাফল্যকে ভবিষ্যতের যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন গবেষকেরা।

বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য শুধু মুরগি উৎপাদন নয়; বরং বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণীদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। সেই লক্ষ্যেই চলছে জিন ও ডিএনএভিত্তিক গবেষণা।

গবেষণার কেন্দ্রে রয়েছে বিলুপ্ত বিশালাকার পাখি ‘জায়ান্ট মোয়া’। Giant Moa একসময় নিউজিল্যান্ড অঞ্চলে বিচরণ করা এই পাখির উচ্চতা ছিল প্রায় ১২ ফুট। দেখতে অনেকটা উটপাখি বা এমুর মতো হলেও এরা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পাখিদের অন্যতম। তবে উড়তে পারত না তারা।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, মানুষের বসতি বিস্তার, নির্বিচার শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে প্রায় ৬০০ বছর আগে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় জায়ান্ট মোয়ার সব প্রজাতি।

এবার সেই পাখিকে ফিরিয়ে আনতেই কাজ করছে একটি মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তাদের পরিকল্পনা হলো, ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম ডিম তৈরি করা এবং সেখান থেকেই জন্ম দেওয়া বিলুপ্ত প্রাণীর নতুন প্রজন্ম।

এই প্রকল্পের প্রাথমিক পরীক্ষামূলক ধাপে ব্যবহার করা হয়েছে মুরগি। গবেষকেরা একাধিক কৃত্রিম মুরগির ডিম তৈরি করেন এবং সেখান থেকে সফলভাবে জন্ম নেয় ২৪টি মুরগিছানা। বিজ্ঞানীদের দাবি, এসব ছানার আচরণ ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য স্বাভাবিকভাবে জন্মানো মুরগির মতোই।

এই সাফল্যে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন গবেষকেরা। তাদের মতে, পরীক্ষাটি ভবিষ্যতে বিলুপ্ত প্রাণী পুনরুজ্জীবনের পথ আরও সহজ করে দিতে পারে।

জায়ান্ট মোয়ার পর গবেষণার পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে বিলুপ্ত পাখি Dodo। পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে হারিয়ে যাওয়া আরও প্রাণীকে ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।