ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাড়তে পারে প্রার্থীদের জামানত

জয়নাল আবেদিন
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানোর চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালায় সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোটের বিধান ইতোমধ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে। ফলে নতুন বাস্তবতায় নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাও সংশোধন করতে হচ্ছে।

এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারদের সমর্থনসূচক সই জমা দেওয়ার বিধান বাদ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দলীয় প্রতীক না থাকলে প্রার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এতে ‘ডামি’ বা অহেতুক প্রার্থী বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় চাপ কমাতে তাই জামানতের পরিমাণ বাড়ানোর চিন্তা করছে কমিশন।

তবে আগের কমিশনের মতো অতিরিক্ত হারে জামানত বাড়ানোর পক্ষে বর্তমান কমিশনের সবাই নন। তারা এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত চান, যাতে একদিকে অপ্রয়োজনীয় প্রার্থী কমে, অন্যদিকে সাধারণ প্রার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে।

এর আগে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০২৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছিল।

বর্তমানে—

ইউপি চেয়ারম্যান পদে জামানত ৫ হাজার টাকা. সদস্য পদে ১ হাজার টাকা, পৌর মেয়র পদে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা, কাউন্সিলর পদে ৫ হাজার টাকা,,সিটি করপোরেশন মেয়র পদে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা,কাউন্সিলর পদে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকাঅ

ইসি সূত্র আরও জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ করা, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা এবং ইভিএম ব্যবহারের বিধান বাতিলসহ আরও কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির আইন ও বিধি সংস্কার কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালায় কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। জামানত বাড়ানোর বিষয়টিও সেখানে বিবেচনায় আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাড়তে পারে প্রার্থীদের জামানত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানোর চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালায় সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোটের বিধান ইতোমধ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে। ফলে নতুন বাস্তবতায় নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাও সংশোধন করতে হচ্ছে।

এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারদের সমর্থনসূচক সই জমা দেওয়ার বিধান বাদ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দলীয় প্রতীক না থাকলে প্রার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এতে ‘ডামি’ বা অহেতুক প্রার্থী বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় চাপ কমাতে তাই জামানতের পরিমাণ বাড়ানোর চিন্তা করছে কমিশন।

তবে আগের কমিশনের মতো অতিরিক্ত হারে জামানত বাড়ানোর পক্ষে বর্তমান কমিশনের সবাই নন। তারা এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত চান, যাতে একদিকে অপ্রয়োজনীয় প্রার্থী কমে, অন্যদিকে সাধারণ প্রার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে।

এর আগে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০২৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছিল।

বর্তমানে—

ইউপি চেয়ারম্যান পদে জামানত ৫ হাজার টাকা. সদস্য পদে ১ হাজার টাকা, পৌর মেয়র পদে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা, কাউন্সিলর পদে ৫ হাজার টাকা,,সিটি করপোরেশন মেয়র পদে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা,কাউন্সিলর পদে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকাঅ

ইসি সূত্র আরও জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ করা, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা এবং ইভিএম ব্যবহারের বিধান বাতিলসহ আরও কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির আইন ও বিধি সংস্কার কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালায় কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। জামানত বাড়ানোর বিষয়টিও সেখানে বিবেচনায় আসতে পারে।