ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটি রক্তপরীক্ষাতেই জানা যাবে আয়ু ও রোগের ঝুঁকি!

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আপনি কতদিন বাঁচবেন বা ভবিষ্যতে গুরুতর কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কতটা—এমন প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে একটি বিশেষ রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে। গবেষকরা বলছেন, DNA methylation পরীক্ষার মাধ্যমে শরীরের জৈবিক বয়স ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া সম্ভব।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে জিন নিয়ন্ত্রণের এই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন ঘটে। সেই পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা শরীরের ‘জৈবিক বয়স’ নির্ধারণ করেন, যা অনেক সময় প্রকৃত বয়সের সঙ্গে মিল নাও থাকতে পারে।

এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Epigenetic clock—এক ধরনের জৈবিক ঘড়ি, যা কোষের বার্ধক্য, পুনর্গঠন এবং শরীরের সামগ্রিক অবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

গবেষণাটি পরিচালনা করছেন Harvard Medical School-এর বিজ্ঞানীরা এবং তা প্রকাশিত হয়েছে Nature Aging-এ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে আগেভাগে রোগঝুঁকি শনাক্ত করে জীবনযাপন পরিবর্তন ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে এটি এখনও গবেষণাধীন এবং চিকিৎসার বিকল্প নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একটি রক্তপরীক্ষাতেই জানা যাবে আয়ু ও রোগের ঝুঁকি!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আপনি কতদিন বাঁচবেন বা ভবিষ্যতে গুরুতর কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কতটা—এমন প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে একটি বিশেষ রক্তপরীক্ষার মাধ্যমে। গবেষকরা বলছেন, DNA methylation পরীক্ষার মাধ্যমে শরীরের জৈবিক বয়স ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া সম্ভব।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে জিন নিয়ন্ত্রণের এই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন ঘটে। সেই পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা শরীরের ‘জৈবিক বয়স’ নির্ধারণ করেন, যা অনেক সময় প্রকৃত বয়সের সঙ্গে মিল নাও থাকতে পারে।

এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Epigenetic clock—এক ধরনের জৈবিক ঘড়ি, যা কোষের বার্ধক্য, পুনর্গঠন এবং শরীরের সামগ্রিক অবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

গবেষণাটি পরিচালনা করছেন Harvard Medical School-এর বিজ্ঞানীরা এবং তা প্রকাশিত হয়েছে Nature Aging-এ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে আগেভাগে রোগঝুঁকি শনাক্ত করে জীবনযাপন পরিবর্তন ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে এটি এখনও গবেষণাধীন এবং চিকিৎসার বিকল্প নয়।