ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোবাইলের এনক্রিপ্টেড বার্তা ও ‘সিক্রেট পেপার’ ঘিরে অনুসন্ধান ১৫ বছরেই রেকর্ডের ‘রাজা’ বৈভব, ১০ নজিরে চমকে দিচ্ছে ক্রিকেটবিশ্ব! হার্ট ভালো রাখতে রাখুন এই ১১ ফল, তবে ‘ওষুধের বিকল্প’ নয় দিনে ২২ মিনিট চুমু খেলেই আয়ু বাড়ে ৭ বছর? গবেষণার দাবির সত্যতা কতটা প্রকৃতির রুদ্ররূপে নেপাল, বিপর্যয়ের মাঝেই উঠছে কিছু প্রশ্ন মৌলভীবাজারে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী জব ফেয়ার, একদিনেই চাকরি পেলেন ৪৪৬ জন বিএনপির ৪৮ বছরে ৪৮ অর্জনের তালিকা তুলে ধরলেন মাহদী আমিন টাঙ্গাইলে প্রথম জব ফেয়ার, ৫১ প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ খুঁজছেন তরুণরা স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ভৈরব নদে চোরাই তেলের বাজার, কারবারে জড়িত ডিপোর কর্মকর্তারা

মোঃ জামাল হোসেন,খুলনা
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ২৩০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

# সক্রিয় চোরাই তেল সিন্ডিকেট, প্রশাসন নিরব
#প্রতিরাতেই জাহাজ থেকে হয় তেল চুরি
#মাঝিরা নৌকায় করে তেল সংগ্রহ করেন

খুলনা মহানগরীর খালিশপুর ও দিঘলিয়া উপজেলার মধ্যর্বতী দিয়ে প্রবাহিত ভৈরব নদে আবারো গড়ে উঠেছে চোরাই জ্বালানী তেলের জমজমাট বাজার। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই পদ্মা, মেঘনা, যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিপোতে ভৈরব নদের বুকে নোঙ্গর করা অপেক্ষমাণ তেল খালাস জাহাজের দিকে ধেয়ে আসে চোরাকারবারিরা।

তেলবাহী জাহাজ থেকে প্রতিদিন চুরি হচ্ছে হাজার হাজার লিটার পেট্রোল,ডিজেল,অকটেন। সেখান থেকে বিশেষ উপায়ে পাইপলাইনে ড্রামে ভরার পর ছোট নৌকায় রাতের বেলা এই তেল পৌঁছে যাচ্ছে কালোবাজারে। আর এই তেল চুরির সাথে জড়িত ডিপোর কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাহাজের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। প্রতিমাসে কেনাবেচা হয় কোটি টাকার চোরাই তেল। গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের তেল চুরি।

চট্রগ্রাম থেকে খুলনার তিনটি তেল ডিপো পদ্মা,মেঘনা,যমুনা কোম্পানীর ঘাটে ভৈরব নদীতে নোঙর করার পরপরই তেল খালাস হওয়ার আগ পর্যন্ত যে কয়দিন জাহাজগুলো নদীতে অপেক্ষমাণ থাকে, প্রতিরাতেই এসব জাহাজ থেকে তেল চুরি হয় বলে একটি বিশ^স্ত সূত্রে জানায়। নিদিষ্ট হারে মাসোহারা পাওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অজ্ঞাত কারণে নীরব নিজ উদ্যোগে কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে ।

জানা গেছে,মহানগরীর খালিশপুরের ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত পদ্মা,মেঘনা,ও যমুনা তিনটি তেল কোম্পানির ডিপো। বিদেশ থেকে আমদানি করা পরিশোধিত এবং অপরিশোধিত তেল চট্রগ্রাম বন্দর থেকে খুলনায় ছোট ট্যাংকার যোগে বিতরণ কোম্পানির ডিপোর জন্য পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন,কেরোসিন,র্ফানিস অয়েলসহ সবধরনের জ্বালানী তেল সরবরাহ করে থাকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করর্পোরেশন। চট্রগ্রাম থেকে যে পরিমাণ তেল জাহাজে ভরা (লোড) হয়, একই পরিমাণ তেল গন্তব্য ডিপোতে খালাস (আনলোড) করতে হয় জাহাজগুলোকে। প্রতিমাসে গড়ে তিনটি তেল কোম্পানীর ডিপোতে কোটি কোটি টাকা কেনা- বেচা হয় ।

চট্রগ্রাম থেকে তেলবাহী ট্যাংকার খালিশপুরের ভৈরব নদ সংলগ্ন তিনটি তেল ডিপো পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোম্পানীর ঘাটে নোঙর করার পরপরই তেল চোরাকারবারীরা তৎপর হয়ে ওঠে । ইতোপৃর্বে রাতের আধাঁরে হোশ পাইপ দিয়ে নৌকার খোলে করে এবং ড্রামে ভরে ডিজেল,ফানিস অয়েল,পেট্রোল ও কেরোসিন তেল পাচার করলেও বর্তমানে কৌশল পরির্বতন করেছে। জাহাজে কর্মরত নাবিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ‘জরুরি মালামাল পৌঁছে দেওয়ার’ অজুহাতে মাঝিরা নৌকায় করে তেল সংগ্রহ করেন।

জাহাজ কর্মকর্তা যোগসাজশে প্রকাশ্য দিবালোকেও জাহাজ থেকে প্লাস্টিকের ক্যানে করে নৌকার মাধ্যমে এ চোরাই তেল কেনা-বেচা হয়। খালিশপুর তিনটি ডিপো পদ্মা,মেঘনা,যমুনা কোম্পানীর সামনে সড়কের দুই পাশে চোরাকারবারি চক্রগুলোর অনেকগুলো অবৈধ দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকান মালিকরা মূল তেল চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে তেল চুরি কারবার পরিচালনা করে বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। এ চোরাই তেল পৌঁছে যায় পাইকারি ও খুচরা গ্রাহকদের কাছে। ছোট দোকান, অয়েল ফিলিং স্টেশন, গাড়ির গ্যারেজ, বড় শিল্পকারখানায় সব জায়গাতেই যায় ।এ চোরাই তেলের বড় অংশটি কতিপয় ডিলারদের কাছে বিক্রয় হয়। এছাড়াও খালিশপুর,দৌলতপুর,দিঘলিয়ার থানার বেশ কয়েকটি জ্বালানী তেলের দোকানে প্রতিনিয়ত চোরাই তেল বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে ।

দিঘলিয়া ও খালিশপুরের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদ এবং জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে এ চোরাই তেলের বাজার চলে । আর প্রভাবশালী ও রাজনীতিবিদ এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে চোরাই তেলের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হওয়ার কারনে চোরাই তেল কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এ চোরাই তেলের লাভ পায় সবাই। শুধু লোকসান গুনে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিপিসি।

খালিশপুরের এক তেল কোম্পানীর কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানকার তিনটি তেল কোম্পানী যে পরিমান তেল চুরি হয় তা রোধ করা গেলে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে ।

খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী বাংলা টাইমসকে বলেন, আমি নতুন আসছি। ভৈরব নদীতে তেল চুরির বিষয়টি খোঁজখবর নিব।

কেএমপি নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বাবুল আক্তার বলেন,আমাদের টহল পুলিশ প্রতিনিয়ত যায়। কিন্তু নদীদে কাউকে পাই না। এমন হয়তো হতে পারে আমরা যখন বের হই তখন চোরাইরা খবর পেয়ে যায়। তারপরও বিষয়টি দেখব।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর)মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম বাংলা টাইমসকে বলেন, ভৈরব নদীতে তেল চুরির বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি তিনি খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভৈরব নদে চোরাই তেলের বাজার, কারবারে জড়িত ডিপোর কর্মকর্তারা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

# সক্রিয় চোরাই তেল সিন্ডিকেট, প্রশাসন নিরব
#প্রতিরাতেই জাহাজ থেকে হয় তেল চুরি
#মাঝিরা নৌকায় করে তেল সংগ্রহ করেন

খুলনা মহানগরীর খালিশপুর ও দিঘলিয়া উপজেলার মধ্যর্বতী দিয়ে প্রবাহিত ভৈরব নদে আবারো গড়ে উঠেছে চোরাই জ্বালানী তেলের জমজমাট বাজার। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই পদ্মা, মেঘনা, যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিপোতে ভৈরব নদের বুকে নোঙ্গর করা অপেক্ষমাণ তেল খালাস জাহাজের দিকে ধেয়ে আসে চোরাকারবারিরা।

তেলবাহী জাহাজ থেকে প্রতিদিন চুরি হচ্ছে হাজার হাজার লিটার পেট্রোল,ডিজেল,অকটেন। সেখান থেকে বিশেষ উপায়ে পাইপলাইনে ড্রামে ভরার পর ছোট নৌকায় রাতের বেলা এই তেল পৌঁছে যাচ্ছে কালোবাজারে। আর এই তেল চুরির সাথে জড়িত ডিপোর কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাহাজের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। প্রতিমাসে কেনাবেচা হয় কোটি টাকার চোরাই তেল। গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের তেল চুরি।

চট্রগ্রাম থেকে খুলনার তিনটি তেল ডিপো পদ্মা,মেঘনা,যমুনা কোম্পানীর ঘাটে ভৈরব নদীতে নোঙর করার পরপরই তেল খালাস হওয়ার আগ পর্যন্ত যে কয়দিন জাহাজগুলো নদীতে অপেক্ষমাণ থাকে, প্রতিরাতেই এসব জাহাজ থেকে তেল চুরি হয় বলে একটি বিশ^স্ত সূত্রে জানায়। নিদিষ্ট হারে মাসোহারা পাওয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অজ্ঞাত কারণে নীরব নিজ উদ্যোগে কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে ।

জানা গেছে,মহানগরীর খালিশপুরের ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত পদ্মা,মেঘনা,ও যমুনা তিনটি তেল কোম্পানির ডিপো। বিদেশ থেকে আমদানি করা পরিশোধিত এবং অপরিশোধিত তেল চট্রগ্রাম বন্দর থেকে খুলনায় ছোট ট্যাংকার যোগে বিতরণ কোম্পানির ডিপোর জন্য পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন,কেরোসিন,র্ফানিস অয়েলসহ সবধরনের জ্বালানী তেল সরবরাহ করে থাকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করর্পোরেশন। চট্রগ্রাম থেকে যে পরিমাণ তেল জাহাজে ভরা (লোড) হয়, একই পরিমাণ তেল গন্তব্য ডিপোতে খালাস (আনলোড) করতে হয় জাহাজগুলোকে। প্রতিমাসে গড়ে তিনটি তেল কোম্পানীর ডিপোতে কোটি কোটি টাকা কেনা- বেচা হয় ।

চট্রগ্রাম থেকে তেলবাহী ট্যাংকার খালিশপুরের ভৈরব নদ সংলগ্ন তিনটি তেল ডিপো পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোম্পানীর ঘাটে নোঙর করার পরপরই তেল চোরাকারবারীরা তৎপর হয়ে ওঠে । ইতোপৃর্বে রাতের আধাঁরে হোশ পাইপ দিয়ে নৌকার খোলে করে এবং ড্রামে ভরে ডিজেল,ফানিস অয়েল,পেট্রোল ও কেরোসিন তেল পাচার করলেও বর্তমানে কৌশল পরির্বতন করেছে। জাহাজে কর্মরত নাবিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ‘জরুরি মালামাল পৌঁছে দেওয়ার’ অজুহাতে মাঝিরা নৌকায় করে তেল সংগ্রহ করেন।

জাহাজ কর্মকর্তা যোগসাজশে প্রকাশ্য দিবালোকেও জাহাজ থেকে প্লাস্টিকের ক্যানে করে নৌকার মাধ্যমে এ চোরাই তেল কেনা-বেচা হয়। খালিশপুর তিনটি ডিপো পদ্মা,মেঘনা,যমুনা কোম্পানীর সামনে সড়কের দুই পাশে চোরাকারবারি চক্রগুলোর অনেকগুলো অবৈধ দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকান মালিকরা মূল তেল চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে তেল চুরি কারবার পরিচালনা করে বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। এ চোরাই তেল পৌঁছে যায় পাইকারি ও খুচরা গ্রাহকদের কাছে। ছোট দোকান, অয়েল ফিলিং স্টেশন, গাড়ির গ্যারেজ, বড় শিল্পকারখানায় সব জায়গাতেই যায় ।এ চোরাই তেলের বড় অংশটি কতিপয় ডিলারদের কাছে বিক্রয় হয়। এছাড়াও খালিশপুর,দৌলতপুর,দিঘলিয়ার থানার বেশ কয়েকটি জ্বালানী তেলের দোকানে প্রতিনিয়ত চোরাই তেল বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে ।

দিঘলিয়া ও খালিশপুরের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদ এবং জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে এ চোরাই তেলের বাজার চলে । আর প্রভাবশালী ও রাজনীতিবিদ এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে চোরাই তেলের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হওয়ার কারনে চোরাই তেল কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এ চোরাই তেলের লাভ পায় সবাই। শুধু লোকসান গুনে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিপিসি।

খালিশপুরের এক তেল কোম্পানীর কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানকার তিনটি তেল কোম্পানী যে পরিমান তেল চুরি হয় তা রোধ করা গেলে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে ।

খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী বাংলা টাইমসকে বলেন, আমি নতুন আসছি। ভৈরব নদীতে তেল চুরির বিষয়টি খোঁজখবর নিব।

কেএমপি নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বাবুল আক্তার বলেন,আমাদের টহল পুলিশ প্রতিনিয়ত যায়। কিন্তু নদীদে কাউকে পাই না। এমন হয়তো হতে পারে আমরা যখন বের হই তখন চোরাইরা খবর পেয়ে যায়। তারপরও বিষয়টি দেখব।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর)মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম বাংলা টাইমসকে বলেন, ভৈরব নদীতে তেল চুরির বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি তিনি খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।