ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাঙ্গাইলে প্রথম জব ফেয়ার, ৫১ প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ খুঁজছেন তরুণরা স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপহরণের ২৭ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু চাকরির শুরুতে বেতন কত, পুরোনোদের বেতনই বা কত বাড়বে ‘পাপ কামিয়েছি, ধুয়েমুছে মরতে চাই’—ভাইরাল বক্তব্য নিয়ে যা বললেন পপি বরের বাড়ি নয়, ‘এনেই থাকবাম’—তুলে নেওয়া নববধূর ভিডিও ভাইরাল রাণীশংকৈলে নানা আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগির সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের বিপিএল ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত এনসিপি নেতা রাকিবুল ইসলাম সানি

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক,টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মো. মেহেদী হাসান (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান সখীপুর উপজেলার ইচ্ছাদিঘী গ্রামের আতিয়াপাড়ার হায়দর আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের পিপি মো. শফিকুল ইসলাম রিপনের তথ্য অনুযায়ী, মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। জুয়ার টাকা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী কাকলীর সঙ্গে তার প্রায়ই বিরোধ হতো। এ নিয়ে তিনি স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট সকালে বিছানার নিচে রাখা একটি ছুরি বের করে কাকলীর পিঠে আঘাত করেন মেহেদী। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিনই নিহত কাকলীর ভাই মো. বাদল মিয়া সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর মেহেদী হাসান আদালতে দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত মেহেদী হাসানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মো. মেহেদী হাসান (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান সখীপুর উপজেলার ইচ্ছাদিঘী গ্রামের আতিয়াপাড়ার হায়দর আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের পিপি মো. শফিকুল ইসলাম রিপনের তথ্য অনুযায়ী, মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। জুয়ার টাকা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী কাকলীর সঙ্গে তার প্রায়ই বিরোধ হতো। এ নিয়ে তিনি স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট সকালে বিছানার নিচে রাখা একটি ছুরি বের করে কাকলীর পিঠে আঘাত করেন মেহেদী। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিনই নিহত কাকলীর ভাই মো. বাদল মিয়া সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর মেহেদী হাসান আদালতে দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত মেহেদী হাসানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।