ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং রাডার অচল, তবু চলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস; গভীর সমুদ্রের তথ্য নিয়ে শঙ্কা হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি, বন্ধ ১৮ স্কুলের পাঠদান খেলাপির চাপে নড়বড়ে ১৫ ব্যাংক, প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা ডিম-মুরগি থেকে মাছ-সবজি—ছয় মাসে ঢাকার বাজারে যতটা বদল ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ও মঈন খানের দায়িত্ব বাড়াল সরকার আর্থিক চাপে আমেরিকা, ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত ট্রাম্পের শেখ সেলিমকে নেতৃত্বে আনার ইস্যুতে আওয়ামী লীগে নতুন অস্বস্তি?

‘নোবডি বিগ, নোবডি স্মল’—বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সমতা ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশ প্রতিবেশী হওয়ায় পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে উভয়ের দায়িত্ব বেশি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমরা একটা স্বপ্নের কথা বলি, সেটা বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আমরা প্রতিবেশী দেশ, আমাদের দায়িত্ব তো বেশি। আমরা সবসময় বলি, আমরা ইক্যুয়াল। নোবডি বিগ, নোবডি স্মল।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।

ত্রিবেদী বলেন, “আমরা পিপল টু পিপল সম্পর্ক চাই। সাধারণ মানুষের জন্য যা কিছু ভালো, সেটা করার দায়িত্ব আমাদের আছে।”

দুই দেশের পারস্পরিক চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জগুলো যেমন ভারতের বোঝা প্রয়োজন, তেমনি ভারতের চ্যালেঞ্জগুলোও বাংলাদেশের বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, “আমাদের ভাবতে হবে বাংলাদেশের ডেমোক্র্যাটিক চ্যালেঞ্জ কী, তেমনি বাংলাদেশকে ভাবতে হবে ভারতের চ্যালেঞ্জ কী। সেটি মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।”

অতীতের নানা জটিলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, তবে অতীতের মধ্যে আটকে থাকলেও সামনে এগোনো যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায় না।

তিনি বলেন, “ইন্টারনাল পলিটিক্স নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। বলা উচিতও না। কারণ, দেশের মানুষ যা ভালো বুঝবে, যা দেশের নির্বাচিত সরকার ভালো বুঝবে, সেটিই সত্যি কথা।”

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

তবে ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশ সমতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “‘নোবডি বিগ, নোবডি স্মল’—বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘নোবডি বিগ, নোবডি স্মল’—বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সমতা ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশ প্রতিবেশী হওয়ায় পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে উভয়ের দায়িত্ব বেশি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমরা একটা স্বপ্নের কথা বলি, সেটা বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আমরা প্রতিবেশী দেশ, আমাদের দায়িত্ব তো বেশি। আমরা সবসময় বলি, আমরা ইক্যুয়াল। নোবডি বিগ, নোবডি স্মল।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।

ত্রিবেদী বলেন, “আমরা পিপল টু পিপল সম্পর্ক চাই। সাধারণ মানুষের জন্য যা কিছু ভালো, সেটা করার দায়িত্ব আমাদের আছে।”

দুই দেশের পারস্পরিক চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জগুলো যেমন ভারতের বোঝা প্রয়োজন, তেমনি ভারতের চ্যালেঞ্জগুলোও বাংলাদেশের বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, “আমাদের ভাবতে হবে বাংলাদেশের ডেমোক্র্যাটিক চ্যালেঞ্জ কী, তেমনি বাংলাদেশকে ভাবতে হবে ভারতের চ্যালেঞ্জ কী। সেটি মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।”

অতীতের নানা জটিলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, তবে অতীতের মধ্যে আটকে থাকলেও সামনে এগোনো যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায় না।

তিনি বলেন, “ইন্টারনাল পলিটিক্স নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। বলা উচিতও না। কারণ, দেশের মানুষ যা ভালো বুঝবে, যা দেশের নির্বাচিত সরকার ভালো বুঝবে, সেটিই সত্যি কথা।”

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

তবে ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশ সমতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চায়।