ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা? এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে ভারতে থাকা আ’ লীগ নেতাদের নির্দেশ ও হুন্ডির অর্থের দাবি ডিবির পঞ্চগড়ে ৩৩ যুবককে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও সনদ দিল ১৮ বিজিবি দুই বছর পর খুলনা-কলকাতা রুটে আবারও চালু হচ্ছে বন্ধন ট্রেন বিধবা স্ত্রী ও বিপত্নীক স্বামীকে আজীবন পারিবারিক পেনশন, বদলেছে পেনশনের হিসাব ন্যাম ভবন থেকে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বাড়াতে বিটুবি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ডেঙ্গুর দাপট অব্যাহত, একদিনে ৬ মৃত্যু ও হাসপাতালে ১,৫৯৩ ভর্তি

৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখেনি শেরপুরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪ ২৮২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে গেছে ঘর, আসবাবপত্র, গবাদিপশু। পানির সাথে বাড়ছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। শেরপুরবাসী এমন ভয়াবহ বন্যা ১৯৮৮ সালের পর আর দেখেনি।

ঝিনাইগিতী উপজেলার ফাকরাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, ৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখলেন তিনি। তার ধারণা এবারের ২০২৪ সালের বন্যা আরও বেশি ভয়াবহ।

পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী উপজেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদীতে বেশি বন্যা কবলিত হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ভোগাই ও মৃগী নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শেরপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে তিন উপজেলার শতাধিক গ্রাম। আর পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষ মানুষ।

গত ৩৫ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি স্থানীয়রা। ঘরের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ায় মানুষজন আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন উঁচু স্থানের দিকে। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

নালিতাবাড়ী উপজেলার বেল্লামারি এলাকার বাসিন্দা আলেয়া খাতুন বলেন, ছোট দুই নাতিকে লইয়া, পার্শ্ববতী উপজেলার উচু স্থানে এক আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছি৷। বাড়িতে সবকিছু রেখে আসছি। জানিনা এই বন্যার পানি কখন নামবে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে শেরপুরে ৩৭ মিলিমিটার এবং নালিতাবাড়ীর দুটি পয়েন্টে ১৭০ ও ১০০ মিলিমিটার।

শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে অংশ নিয়েছেন ঝিনাইগাতি এবং নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখেনি শেরপুরবাসী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে গেছে ঘর, আসবাবপত্র, গবাদিপশু। পানির সাথে বাড়ছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। শেরপুরবাসী এমন ভয়াবহ বন্যা ১৯৮৮ সালের পর আর দেখেনি।

ঝিনাইগিতী উপজেলার ফাকরাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, ৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখলেন তিনি। তার ধারণা এবারের ২০২৪ সালের বন্যা আরও বেশি ভয়াবহ।

পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী উপজেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদীতে বেশি বন্যা কবলিত হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ভোগাই ও মৃগী নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শেরপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে তিন উপজেলার শতাধিক গ্রাম। আর পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষ মানুষ।

গত ৩৫ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি স্থানীয়রা। ঘরের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ায় মানুষজন আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন উঁচু স্থানের দিকে। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

নালিতাবাড়ী উপজেলার বেল্লামারি এলাকার বাসিন্দা আলেয়া খাতুন বলেন, ছোট দুই নাতিকে লইয়া, পার্শ্ববতী উপজেলার উচু স্থানে এক আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছি৷। বাড়িতে সবকিছু রেখে আসছি। জানিনা এই বন্যার পানি কখন নামবে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে শেরপুরে ৩৭ মিলিমিটার এবং নালিতাবাড়ীর দুটি পয়েন্টে ১৭০ ও ১০০ মিলিমিটার।

শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে অংশ নিয়েছেন ঝিনাইগাতি এবং নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।