ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনে বিতর্কিত ভূমিকা, বাধ্যতামূলক অবসরে ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তা পূজার ছুটির আগেই খুলল সাজেক, ভ্রমণে বাধা নেই বেড়ানোর কথা বলে নৌকায় স্ত্রীকে হত্যা, খালে বস্তাবন্দি মরদেহ নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা, শরীরে পাঁচ গুলির চিহ্ন মোদীর মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, পূর্ণ হতে পারে ৮১ সদস্যের কোটা ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর পাবনায় বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস পালিত, নারীর অবদান ও অধিকার সুরক্ষার আহ্বান জরিমানা ছাড়াই ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমার সুযোগ টিকটকের রঙিন দুনিয়ার মোহ, স্বাধীন জীবনের স্বপ্নে ঘর ছাড়ে ৪ স্কুলছাত্রী দুর্গাপূজায় ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখেনি শেরপুরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে গেছে ঘর, আসবাবপত্র, গবাদিপশু। পানির সাথে বাড়ছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। শেরপুরবাসী এমন ভয়াবহ বন্যা ১৯৮৮ সালের পর আর দেখেনি।

ঝিনাইগিতী উপজেলার ফাকরাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, ৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখলেন তিনি। তার ধারণা এবারের ২০২৪ সালের বন্যা আরও বেশি ভয়াবহ।

পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী উপজেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদীতে বেশি বন্যা কবলিত হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ভোগাই ও মৃগী নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শেরপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে তিন উপজেলার শতাধিক গ্রাম। আর পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষ মানুষ।

গত ৩৫ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি স্থানীয়রা। ঘরের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ায় মানুষজন আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন উঁচু স্থানের দিকে। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

নালিতাবাড়ী উপজেলার বেল্লামারি এলাকার বাসিন্দা আলেয়া খাতুন বলেন, ছোট দুই নাতিকে লইয়া, পার্শ্ববতী উপজেলার উচু স্থানে এক আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছি৷। বাড়িতে সবকিছু রেখে আসছি। জানিনা এই বন্যার পানি কখন নামবে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে শেরপুরে ৩৭ মিলিমিটার এবং নালিতাবাড়ীর দুটি পয়েন্টে ১৭০ ও ১০০ মিলিমিটার।

শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে অংশ নিয়েছেন ঝিনাইগাতি এবং নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখেনি শেরপুরবাসী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে গেছে ঘর, আসবাবপত্র, গবাদিপশু। পানির সাথে বাড়ছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। শেরপুরবাসী এমন ভয়াবহ বন্যা ১৯৮৮ সালের পর আর দেখেনি।

ঝিনাইগিতী উপজেলার ফাকরাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, ৮৮ সালের পর এমন বন্যা দেখলেন তিনি। তার ধারণা এবারের ২০২৪ সালের বন্যা আরও বেশি ভয়াবহ।

পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী উপজেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদীতে বেশি বন্যা কবলিত হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ভোগাই ও মৃগী নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শেরপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে তিন উপজেলার শতাধিক গ্রাম। আর পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষ মানুষ।

গত ৩৫ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি স্থানীয়রা। ঘরের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ায় মানুষজন আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন উঁচু স্থানের দিকে। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

নালিতাবাড়ী উপজেলার বেল্লামারি এলাকার বাসিন্দা আলেয়া খাতুন বলেন, ছোট দুই নাতিকে লইয়া, পার্শ্ববতী উপজেলার উচু স্থানে এক আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছি৷। বাড়িতে সবকিছু রেখে আসছি। জানিনা এই বন্যার পানি কখন নামবে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে শেরপুরে ৩৭ মিলিমিটার এবং নালিতাবাড়ীর দুটি পয়েন্টে ১৭০ ও ১০০ মিলিমিটার।

শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে অংশ নিয়েছেন ঝিনাইগাতি এবং নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।