ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমন্বয়ক হাসনাত ও সারজিস ডিবি হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে ৩ সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ইসলাম ও আবু বাকের মজুমদারকে ডিবি হেফাজতে নিয়ে যায় ডিবি। গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

গত ৫ জুন হাইকোর্ট সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে সরকার কর্তৃক জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপর পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাজপথে নামেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলন নিয়ে সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। এর জেরে ২১ জুলাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে ও সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর ২৩ জুলাই সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সমন্বয়ক হাসনাত ও সারজিস ডিবি হেফাজতে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে ৩ সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ইসলাম ও আবু বাকের মজুমদারকে ডিবি হেফাজতে নিয়ে যায় ডিবি। গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

গত ৫ জুন হাইকোর্ট সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে সরকার কর্তৃক জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপর পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাজপথে নামেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলন নিয়ে সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। এর জেরে ২১ জুলাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে ও সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর ২৩ জুলাই সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে।