ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকা না কেনায় হামের প্রকোপ: ইউনূস সরকারের দায় নির্ধারণে তদন্ত ৮৩০ পর্যটক নিয়ে ‘এমভি বার আউলিয়া’র যাত্রা পর্যটকদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত কক্সবাজারের হোটেলগুলোতে? ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে ইসির তোড়জোড় হামের টিকাকাণ্ডে অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খুঁজতে তদন্ত কমিশন চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা অনুমোদনহীন প্ল্যান্টে হেভি ক্রুড আমদানির অনুমতি চায় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএসসি সংস্কারসহ ১৩ দফা দাবি শিবিরের, নিয়োগে দলীয় প্রভাব বন্ধের আহ্বান তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দখলের অভিযোগ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ:ডাচ-বাংলার ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে শরীরচর্চা থেকেও ! করিয়ে নিন জরুরি পরীক্ষা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনেকেই এখন নিয়মিত জিম করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জিম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি জিমে গিয়ে চোট-আঘাতের কথাও প্রকাশ্যে আসছে। বিশেষ করে শরীরচর্চার মাঝে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বেশ কিছু ভিডিও সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাই জিমে ভর্তি হওয়ার আগে হার্টের কয়েকটি পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারলে আগাম সতর্ক হওয়া যায়।

ভারী ওজন-সহ ব্যায়াম দেহের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এ বারে কারও যদি হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়, বা কোনও ধমনীতে ব্লকেজ থাকে, তা হলে রক্তচাপ হৃৎ পিণ্ডে চাপ তৈরি করে। পরিস্থিতি জটিল হলে শরীরচর্চার মাঝেই ব্যক্তি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই জিম শুরু করার আগে ব্যক্তি করোনারি আর্টারির সমস্যা, হৃৎপিণ্ডের অনিয়মিত স্পন্দন বা হাইপারট্রপিক কার্ডিয়োমায়োপ্যাথিতে আক্রান্ত কি না, তা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।

জিমে ভর্তি হওয়ার আগে কয়েকটি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

১) ইসিজি: এই পরীক্ষার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের সঙ্কেত বিশ্লেষণ করা যায়। এরিদমিয়া বা হার্ট ফেলিয়োরের মতো সমস্যা আগাম ইসিজি থেকে জানা সম্ভব।

২) ইকোকার্ডিয়োগ্রাফি: এই আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যানের সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের গঠন এবং কার্যকারিতা জানা সম্ভব। ধমনী বা কোনও ভাল্‌ভে সমস্যা থাকলে এই পরীক্ষার সাহায্যে তা জানা সম্ভব।

৩) টিএমটি: অর্থাৎ ট্রেড মিল টেস্ট। এই পরীক্ষায় ব্যক্তিকে ট্রেড মিলে দৌড়তে হয়। ক্লান্তি বা পরিশ্রমের মধ্যে হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা সম্পর্কে তথ্য জানায় টিএমটি।

৪) রক্ত পরীক্ষা: ট্রোপোনিন এবং এনটি-প্রোবিএনপি নামক দু’টি রক্ত পরীক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য এবং কোনও সম্ভাব্য রোগের কারণ জানিয়ে দিতে পারে এই দু’টি রক্ত পরীক্ষা।

৫) লিপিড এবং এইচবিএওয়ানসি: এই দু’টি রক্ত পরীক্ষার সাহায্যে কোলেস্টেরল এবং রক্ত শর্করার পরিমাণ জানা যায়। দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে এবং মাত্রাতিরিক্ত সুগার থাকলে, তা ব্যক্তির হার্টের ক্ষতি করতে পারে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে শরীরচর্চা থেকেও ! করিয়ে নিন জরুরি পরীক্ষা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

অনেকেই এখন নিয়মিত জিম করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জিম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি জিমে গিয়ে চোট-আঘাতের কথাও প্রকাশ্যে আসছে। বিশেষ করে শরীরচর্চার মাঝে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বেশ কিছু ভিডিও সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাই জিমে ভর্তি হওয়ার আগে হার্টের কয়েকটি পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারলে আগাম সতর্ক হওয়া যায়।

ভারী ওজন-সহ ব্যায়াম দেহের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এ বারে কারও যদি হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়, বা কোনও ধমনীতে ব্লকেজ থাকে, তা হলে রক্তচাপ হৃৎ পিণ্ডে চাপ তৈরি করে। পরিস্থিতি জটিল হলে শরীরচর্চার মাঝেই ব্যক্তি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই জিম শুরু করার আগে ব্যক্তি করোনারি আর্টারির সমস্যা, হৃৎপিণ্ডের অনিয়মিত স্পন্দন বা হাইপারট্রপিক কার্ডিয়োমায়োপ্যাথিতে আক্রান্ত কি না, তা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।

জিমে ভর্তি হওয়ার আগে কয়েকটি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

১) ইসিজি: এই পরীক্ষার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের সঙ্কেত বিশ্লেষণ করা যায়। এরিদমিয়া বা হার্ট ফেলিয়োরের মতো সমস্যা আগাম ইসিজি থেকে জানা সম্ভব।

২) ইকোকার্ডিয়োগ্রাফি: এই আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যানের সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের গঠন এবং কার্যকারিতা জানা সম্ভব। ধমনী বা কোনও ভাল্‌ভে সমস্যা থাকলে এই পরীক্ষার সাহায্যে তা জানা সম্ভব।

৩) টিএমটি: অর্থাৎ ট্রেড মিল টেস্ট। এই পরীক্ষায় ব্যক্তিকে ট্রেড মিলে দৌড়তে হয়। ক্লান্তি বা পরিশ্রমের মধ্যে হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা সম্পর্কে তথ্য জানায় টিএমটি।

৪) রক্ত পরীক্ষা: ট্রোপোনিন এবং এনটি-প্রোবিএনপি নামক দু’টি রক্ত পরীক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য এবং কোনও সম্ভাব্য রোগের কারণ জানিয়ে দিতে পারে এই দু’টি রক্ত পরীক্ষা।

৫) লিপিড এবং এইচবিএওয়ানসি: এই দু’টি রক্ত পরীক্ষার সাহায্যে কোলেস্টেরল এবং রক্ত শর্করার পরিমাণ জানা যায়। দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে এবং মাত্রাতিরিক্ত সুগার থাকলে, তা ব্যক্তির হার্টের ক্ষতি করতে পারে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে।