অগ্নিঝুঁকিতে পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের বড় অংশ
পর্যটকদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত কক্সবাজারের হোটেলগুলোতে?

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:২০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে প্রতিদিন অবস্থান করেন ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক। পর্যটকের এই বিপুল চাপ সামলাতে আবাসন অবকাঠামো বাড়লেও সেই অনুপাতে নিরাপত্তাব্যবস্থা কতটা উন্নত হয়েছে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শহরের প্রায় ৫০০ হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে অন্তত ৪০০টির বৈধ ফায়ার লাইসেন্স বা অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নেই। অর্থাৎ, প্রায় ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের অগ্নিনিরাপত্তা-সংক্রান্ত অনুমোদন নেই বলে ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে একের পর এক অগ্নিকাণ্ড পর্যটন নগরীর হোটেলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এনেছে। বৈদ্যুতিক সংযোগের ত্রুটি, নিম্নমানের সরঞ্জাম, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার, রান্নাঘরের চিমনিতে জমে থাকা দাহ্য গ্রিজ এবং অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থার ঘাটতি—সব মিলিয়ে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিয়মিত তদারকির দুর্বলতা এবং অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধারকাজ পরিচালনার সীমিত সক্ষমতা।
কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ও চিফ ইনস্ট্রাক্টর প্রকৌশলী সিরাজুল হকের মতে, হোটেলগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক অবকাঠামো একেকটি সুপ্ত ‘টাইম বোমা’র মতো। তাঁর আশঙ্কা, নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা, মানসম্মত ওয়্যারিং এবং পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
একের পর এক আগুন, নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্ট
সাম্প্রতিক কয়েকটি অগ্নিকাণ্ড পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করেছে। গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে ১১ পর্যটকের প্রাণহানি ঘটে। এর রেশ কাটতে না কাটতেই ২৩ অক্টোবর সুগন্ধা পয়েন্টের সি প্রিন্সেস হোটেলে এবং গত শুক্রবার রাতে কলাতলীর হোটেল অস্টার ইকোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সি প্রিন্সেসের জেনারেটর কক্ষে আগুন লাগার পর প্রায় ৩০০ পর্যটক দ্রুত হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন। অস্টার ইকোতেও বৈদ্যুতিক সংযোগের ত্রুটি থেকে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের প্রাণহানি না ঘটলেও এসব ঘটনায় পর্যটকদের বহুতল ভবন থেকে আতঙ্কের মধ্যে বেরিয়ে দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান করতে হয়।
এই ঘটনাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে—হোটেলে আগুন লাগার পর পর্যটকদের নিরাপদে বের করে আনার কার্যকর ব্যবস্থা কি রয়েছে? বিশেষ করে মধ্যরাতে অধিকাংশ পর্যটক ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আগুন লাগলে সতর্কসংকেত, জরুরি বহির্গমন পথ ও প্রশিক্ষিত কর্মীর ব্যবস্থা কতটা কার্যকর থাকবে?
শীত মৌসুমে বাড়ছে বৈদ্যুতিক ঝুঁকি
শীত মৌসুমে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপও বেড়ে যায়। গিজার, রুম হিটারসহ উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক যন্ত্র একসঙ্গে চালানোর কারণে মূল বৈদ্যুতিক লাইনে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। তারের ধারণক্ষমতার বাইরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে তা অতিরিক্ত গরম হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
প্রকৌশলী সিরাজুল হক বলেন, শীতকালে হাজার হাজার কক্ষে একসঙ্গে গিজার, রুম হিটার ও অন্যান্য উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্র চালানো হয়। এতে মূল বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। মানসম্মত ওয়্যারিং, নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা ও পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা না থাকলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
কক্সবাজার পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল কাদের গণিও হোটেলগুলোর বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনায় অবহেলাকে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রে সস্তা ও নিম্নমানের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্ধারিত সক্ষমতার বাইরে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ ওয়্যারিংও মানসম্মত হচ্ছে না। সারা বছর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির অভাব পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করছে।
তিনি বলেন, ‘প্রটেকশন, কোয়ালিটি ও ক্যাপাসিটি মেইনটেইন করলেই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।’ তাঁর মতে, রমজান মাসে পর্যটকের চাপ কম থাকায় হোটেল মালিকেরা চাইলে এ সময় পুরো ওয়্যারিং পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে পারেন। সঠিক মানের মেইন সার্কিট বসানো হলে কোথাও শর্টসার্কিট ঘটলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি কারিগরি দক্ষ কর্মী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের কাজে লাগিয়েও ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
রান্নাঘরের চিমনিও হতে পারে আগুন ছড়ানোর পথ
বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার পাশাপাশি হোটেলের রান্নাঘরেও রয়েছে অগ্নিঝুঁকি। পর্যটকের চাপ বাড়লে রান্নার কাজের পরিমাণও বেড়ে যায়। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানে রান্নাঘরের এক্সহস্ট ও চিমনি নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন হোটেলের রান্নাঘরের এক্সহস্ট চিমনিতে দীর্ঘদিন ধরে তেলের আস্তরণ বা গ্রিজ জমে থাকে। এই গ্রিজ অত্যন্ত দাহ্য। রান্নার চুলার অতিরিক্ত তাপ কিংবা স্ফুলিঙ্গের সংস্পর্শে এলে তা জ্বলে উঠতে পারে। একবার আগুন ধরলে চিমনির ভেতর দিয়ে তা অন্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
অর্থাৎ, হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করলেই চলবে না; রান্নাঘর, জেনারেটর কক্ষ, গ্যাস সংযোগ, চিমনি ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানও নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় আনতে হবে।
৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের ফায়ার এনওসি নেই
অগ্নিনিরাপত্তার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো অনুমোদনের ঘাটতি। ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার শহরের প্রায় ৫০০ হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে অন্তত ৪০০টির বৈধ ফায়ার লাইসেন্স বা এনওসি নেই। অনেক প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সেফটি প্ল্যানও নেই।
নিয়ম অনুযায়ী অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়পত্র দেওয়া ও নবায়নের সময় ভবনের অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম, জরুরি বহির্গমন পথ এবং অন্যান্য নিরাপত্তাব্যবস্থা পরীক্ষা করার কথা। কিন্তু বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি প্রশ্ন তুলছে—এসব প্রতিষ্ঠান কীভাবে নিয়মিত পর্যটক ধারণ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তদারকি কতটা কার্যকর?
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কক্সবাজারের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমানে ছয়টি দল হোটেল পরিদর্শনের কাজ করছে। কক্সবাজার শহরে চট্টগ্রাম থেকে আসা অতিরিক্ত দুটি দলও কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তৌফিক ভুঁইয়া।
তবে পরিদর্শন কার্যক্রম চললেও ৪০০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি শুধু পরিদর্শনের মাধ্যমে সমাধান হবে না। কোথায় কী ধরনের ত্রুটি রয়েছে, কত দিনের মধ্যে তা সংশোধন করতে হবে এবং নির্দেশনা অমান্য করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এসব বিষয়ে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।
আগুন লাগলে উদ্ধার সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ
অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতির পাশাপাশি আগুন লাগার পর উদ্ধারকাজ পরিচালনার সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার দোলন আচার্য বলেন, জনবল সংকট, প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি, বহুতল ভবনে পৌঁছানোর মতো হাইড্রলিক ল্যাডার না থাকা এবং শহরের বিভিন্ন এলাকার অপ্রশস্ত সড়ক ও গলিপথের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা হতে পারে।
এ সীমাবদ্ধতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কক্সবাজারের অনেক হোটেল বহুতল ভবনে অবস্থিত। আগুনের সময় সিঁড়ি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়লে কিংবা জরুরি বহির্গমন পথ বন্ধ থাকলে পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া কঠিন হতে পারে। বাইরে থেকে উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতেও সরু সড়ক ও যানজট বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ফলে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম থাকলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। সেগুলো সচল রাখা, কর্মীদের ব্যবহার শেখানো, নিয়মিত মহড়া এবং ভবনের বিকল্প বহির্গমন পথ কার্যকর রাখাও সমান জরুরি।
মালিকপক্ষেরও দায় রয়েছে
ফায়ার এনওসি না থাকা ও অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে কক্সবাজার হোটেল-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং মেরিন ড্রাইভ হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, সরকারি সংস্থাগুলো নিয়মিত সরেজমিন তদারকি করলে অগ্নিঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে মালিকপক্ষের অবহেলাও রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।
মুকিম খানের ভাষ্য, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোটেল মালিকদের দায়িত্ব। শুধু ব্যবসা করে আয় করলেই হবে না; প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ফায়ার সেফটি ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে মালিক সমিতিও কাজ করছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, হোটেলে অবস্থান করা পর্যটকদের অভিজ্ঞতাও নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কলাতলীর অস্টার ইকোতে অবস্থান করা ঢাকার পর্যটক তানভীর জানান, মধ্যরাতে আগুন লাগলেও ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি। আগুন দেখা ও বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তাঁরা নিচে নেমে আসেন। কয়েকজন পর্যটক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহারে জানাশোনা থাকায় সেটি কাজে লাগাতে পেরেছিলেন।
তাঁর অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—হোটেলের অগ্নিসতর্কতা ব্যবস্থা কাজ না করলে পর্যটকেরা কীভাবে আগুনের খবর পাবেন? আর জরুরি মুহূর্তে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ না থাকলে তাঁদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত থাকবে?
ছাড়পত্র নয়, কার্যকর তদারকিই জরুরি
কক্সবাজারের পর্যটন খাতের আয় ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের নিরাপত্তা সরাসরি জড়িত। কিন্তু পর্যটকের সংখ্যা ও আবাসন ব্যবসার পরিধি বাড়লেও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রায় ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের ফায়ার এনওসি না থাকা, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, রান্নাঘরের ঝুঁকি এবং উদ্ধার সরঞ্জামের সীমাবদ্ধতা বিচ্ছিন্ন কোনো সমস্যা নয়; এগুলো একটি দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক।
এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর নিয়মিত ও সমন্বিত পরিদর্শন জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠানে ত্রুটি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধনের সময়সীমা নির্ধারণ এবং অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং, সার্কিট ব্রেকার, জেনারেটর, রান্নাঘরের চিমনি, ফায়ার অ্যালার্ম ও জরুরি বহির্গমন পথ নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।
হোটেল মালিকদেরও নিরাপত্তাকে ব্যবসার অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে না দেখে মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে। কর্মীদের অগ্নিনির্বাপণ প্রশিক্ষণ, নিয়মিত মহড়া এবং পর্যটকদের জরুরি নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
টুপটুপ রিসোর্টে প্রাণহানি এবং পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সতর্কবার্তা দিচ্ছে। পর্যটকের চাপ বাড়ার সঙ্গে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার না হলে কক্সবাজারের হোটেলগুলোতে অগ্নিঝুঁকি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। পর্যটন নগরীর সুনাম রক্ষা এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে এখন সবচেয়ে জরুরি হলো কাগজে-কলমে অনুমোদনের বাইরে গিয়ে বাস্তবে নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।























