মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতি: বেবিচকের প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় থেকে বেবিচকের চেয়ারম্যানকে দেওয়া নির্দেশনায় তার নিয়োগের বৈধতা, মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা গ্রহণ এবং দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৬ জুন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও অভিযোগগুলো যাচাই করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মো. শরিফুল ইসলাম ২০০১ সালে বেবিচকে যোগ দেন এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা গ্রহণ করেন তার পিতার মুক্তিযোদ্ধা সনদের ভিত্তিতে। তবে ওই সনদের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোপালগঞ্জ জেলার গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় মোশাররফ হোসেন নামের কোনো ব্যক্তির তথ্য পাওয়া যায়নি, যিনি ওই প্রকৌশলীর পিতা বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে বেবিচক বলছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সনদের বৈধতা ও প্রাপ্ত তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এছাড়া সনদ ইস্যু ও স্বাক্ষর নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে দুদকসহ একাধিক সংস্থা পৃথকভাবে অনুসন্ধান চালাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

















