জেন-জিকে উসকে সরকার বদলের ছক! আলোচনায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৪১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক নতুন এক রাজনৈতিক ন্যারেটিভ নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে পরিচিত একটি অনলাইন প্রচারণাকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, তরুণ সমাজকে উসকে দিয়ে সরকারবিরোধী জনমত তৈরির পেছনে সুসংগঠিত কোনো চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অভিযোগ ওঠে, বেকার তরুণদের ‘আরশোলা’ বা ‘পরজীবী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই অনলাইনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামের প্রচারণা, যা অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সমর্থন পায়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যেমন তরুণদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, ভারতে তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা হতে পারে। নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠার উদাহরণও টানা হচ্ছে।
এদিকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পেছনে অভিজিৎ দীপক নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার কথা বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। জানা গেছে, তিনি অতীতে আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া টিমে কাজ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা মহলেও নজরদারি শুরু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
সমালোচকদের মতে, বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি ও শিক্ষা সংস্কারের মতো ইস্যু সামনে আনা হলেও মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছে ডিজিটাল পরিসরে সরকারবিরোধী অবস্থান শক্তিশালী করা। ফলে এটি শুধুই সামাজিক প্রতিবাদ নাকি বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশলের অংশ—তা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে।
কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও বিভাজন সৃষ্টির প্রচেষ্টা যেকোনো রাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বিশেষ করে তরুণদের আবেগ ও হতাশাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত ডিজিটাল প্রচারণা ভবিষ্যতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।






















