নবম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
সরকার গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নবম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার (১৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংগঠনটির সমন্বয়ক মো. লুৎফর রহমান বলেন, গত ১১ বছর ধরে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এ সময়ে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে প্রায় ১০৮ শতাংশ। ফলে ২০১৫ সালের বেতনে ২০২৬ সালে সংসার চালানো কর্মচারীদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা এবং পে-কমিশনের সুপারিশকৃত ‘বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল’-এর গেজেট দ্রুত প্রকাশ করা।
এছাড়া ২০১৫ সালের পে-স্কেলে বাদ দেওয়া তিনটি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনর্বহালের দাবিও জানানো হয়।
সংগঠনটি আরও দাবি জানায়, ব্লক পোস্টে কর্মরতসহ সব সরকারি কর্মচারীর জন্য পদোন্নতি বা প্রতি পাঁচ বছর পর উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন চালু, বিদ্যমান আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ এবং পেনশন গ্রাচ্যুইটির এক টাকার বিপরীতে ৫০০ টাকা নির্ধারণের দাবিও তুলে ধরা হয়।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় ভাতাদি পুনর্নির্ধারণ এবং ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর মতো রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও জানানো হয়।
এছাড়া সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগবিধির বৈষম্য দূর করে সচিবালয়ের মতো অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়নের আহ্বান জানায় সংগঠনটি।


























