কিডনি বিকল হওয়ার কারণ ও লক্ষণ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
কিডনি (Kidney) শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি রক্ত পরিষ্কার করে, বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করে এবং শরীরে পানি ও খনিজ পদার্থের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিন্তু ভুল জীবনধারা এবং ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে কিডনি সম্পর্কিত রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি সময়মতো লক্ষণগুলি উপেক্ষা করা হয়, তাহলে অবস্থা আরও গুরুতর হতে পারে এবং কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনির সমস্যার উপসর্গগুলি এতটাই মৃদু হয় যে, বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। কিডনি বিকল হওয়ার সমস্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়, কিন্তু যদি সময়মতো এর লক্ষণগুলি সনাক্ত করা যায় এবং সঠিক জীবনধারা গ্রহণ করা হয়, তাহলে এই গুরুতর রোগ এড়ানো সম্ভব। জানুন কী কী লক্ষণ দেখলে আগেভাগেই হতে হবে সতর্ক।
কিডনি বিকল হওয়ার কারণ
ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ: দীর্ঘ সময় ধরে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধি কিডনির ক্ষতি করতে পারে। অতিরিক্ত পেনকিলার খাওয়া: অতিরিক্ত পেনকিলার খাওয়া কিডনির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে এবং দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কম পানি পান করা: কম জল পান করলে শরীর জলশূন্য হয়ে যায়। যা কিডনির উপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে এবং পাথরের মতো অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত নুন এবং হিমায়িত খাবার খাওয়া: অতিরিক্ত নুন বা হিমায়িত খাবার খাওয়া কিডনির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
ধূমপান এবং অ্যালকোহল: ধূমপান এবং অ্যালকোহল সেবন রক্ত সঞ্চালনকে প্রভাবিত করে, যা কিডনির কার্যকারিতা দুর্বল করে এবং কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
কিডনি বিকল হওয়ার লক্ষণ
শরীরে ফোলাভাব: যদি আপনার শরীরে বিশেষ করে পা, গোড়ালি, মুখ এবং চোখের চারপাশে ফোলাভাব থাকে, তাহলে এটি কিডনি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
ক্লান্ত এবং দুর্বল বোধ করা: কিডনি যখন বিকল হয়ে যায়, তখন শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে শুরু করে, যার ফলে দুর্বলতা অনুভব হয়।
শুষ্ক এবং চুলকানিযুক্ত ত্বক: কিডনি ব্যর্থ হলে শরীরের খনিজ পদার্থ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এই লক্ষণটি উপেক্ষা করা উচিত নয়।
শ্বাসকষ্ট: কিডনি দুর্বল হয়ে গেলে শরীরে জল জমতে শুরু করে, যার ফলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।


















