ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপি পদে রদবদলের আভাস, আলোচনায় চার পুলিশ কর্মকর্তা লেক দূষণ রোধে কঠোর রাজউক, ১,২৬৯ ভবনকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জাপানে করমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশের ৭,৩৭৯ পণ্য, ৫ খাতে বিনিয়োগ চায় ঢাকা ঘনচিনি দিয়ে আইসক্রিম, ঝালকাঠিতে কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একজনকে গুলি করে হত্যা সরকার দলীয়করণের পথে, সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব নয় মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে ৫ দিন বৃষ্টি, কমতে পারে তাপমাত্রা এশিয়ান কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের প্রথম সোনা জিতলেন মেয়েরা

লেক দূষণ রোধে কঠোর রাজউক, ১,২৬৯ ভবনকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর লেকগুলো দূষণমুক্ত রাখতে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণে তৎপর হচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এসব অবকাঠামো নির্মাণে চূড়ান্ত নোটিশ পাওয়া ১ হাজার ২৬৯টি ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোকে দেওয়া হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত নকশায় সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের ব্যবস্থা থাকা ভবনগুলোর মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাজধানীর লেক দূষণমুক্ত করা এবং পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত কারিগরি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম এবং রাজউকের সদস্য এরাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রাজধানীর লেকগুলোর বর্তমান দূষণ পরিস্থিতি, দূষণের উৎস শনাক্তকরণ, পানির গুণগত মান উন্নয়ন, বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা এবং লেকের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

নকশার অনুমোদন দেবে রাজউক, নিষ্পত্তি তিন দিনে

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, যেসব ১ হাজার ২৬৯টি ভবনে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও এসটিপি নির্মাণের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে, সেসব ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোকে সরবরাহ করা হবে।

এ ছাড়া সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েলের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন রাজউক থেকে অনুমোদন নিতে হবে। এ-সংক্রান্ত আবেদন পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৫ নভেম্বরের পর মোবাইল কোর্ট

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, যেসব ভবনের অনুমোদিত নকশায় সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের সংস্থান রয়েছে, সেসব ভবনের মালিকদের ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু না করলে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

রাজধানীর লেকগুলোর দূষণ কমাতে বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ভবনমালিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপরও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

এ ছাড়া গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান সুমন, বারিধারা সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সাকিফ এ তাবানী ও সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মতিন, বনানী সোসাইটির প্রেসিডেন্ট শওকত আলী ভূঁইয়া দিলন এবং নিকেতন সোসাইটির সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল করিম চৌধুরী আরিফসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

লেক দূষণ রোধে কঠোর রাজউক, ১,২৬৯ ভবনকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর লেকগুলো দূষণমুক্ত রাখতে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণে তৎপর হচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এসব অবকাঠামো নির্মাণে চূড়ান্ত নোটিশ পাওয়া ১ হাজার ২৬৯টি ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোকে দেওয়া হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত নকশায় সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের ব্যবস্থা থাকা ভবনগুলোর মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাজধানীর লেক দূষণমুক্ত করা এবং পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত কারিগরি কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম এবং রাজউকের সদস্য এরাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রাজধানীর লেকগুলোর বর্তমান দূষণ পরিস্থিতি, দূষণের উৎস শনাক্তকরণ, পানির গুণগত মান উন্নয়ন, বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা এবং লেকের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

নকশার অনুমোদন দেবে রাজউক, নিষ্পত্তি তিন দিনে

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, যেসব ১ হাজার ২৬৯টি ভবনে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও এসটিপি নির্মাণের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে, সেসব ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোকে সরবরাহ করা হবে।

এ ছাড়া সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েলের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন রাজউক থেকে অনুমোদন নিতে হবে। এ-সংক্রান্ত আবেদন পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৫ নভেম্বরের পর মোবাইল কোর্ট

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, যেসব ভবনের অনুমোদিত নকশায় সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের সংস্থান রয়েছে, সেসব ভবনের মালিকদের ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু না করলে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

রাজধানীর লেকগুলোর দূষণ কমাতে বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ভবনমালিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপরও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

এ ছাড়া গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান সুমন, বারিধারা সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সাকিফ এ তাবানী ও সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মতিন, বনানী সোসাইটির প্রেসিডেন্ট শওকত আলী ভূঁইয়া দিলন এবং নিকেতন সোসাইটির সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল করিম চৌধুরী আরিফসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।