ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা, নভেম্বরে সংলাপে বসবে ইসি

বাসস
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শুধু একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মান ধরে রাখার পাশাপাশি আরও ভালো নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতা ও অনিয়ম ঠেকাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরেও ক্যামেরা থাকবে।

আগামী নভেম্বরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা—বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন করেই কমিশনের দায়িত্ব শেষ হবে না। ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতেও একই মান বজায় রাখতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য রাজনৈতিক দলসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের চাপ ছাড়াই কাজ করছে। কর্মকর্তাদের পেশাদারি ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশনের পাশাপাশি প্রার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও চাই রাজনৈতিক সহযোগিতা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও প্রার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন থাকতে পারে। এ কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সিইসি। এ লক্ষ্যেই নভেম্বরের মধ্যে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় কমিশন।

সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। নির্বাচনে জালিয়াতি হলে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না। তাই নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন এবং প্রবাসী বাংলাদেশি, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও কারাবন্দিদের ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরির বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর হবে ইসি

ইউপি নির্বাচনকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন। অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের এ নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আচরণবিধির কঠোর প্রয়োগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরেও ক্যামেরা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং অনিয়ম শনাক্ত করার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছে কমিশন।

সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, আচরণবিধি বাস্তবায়নে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করতে লাগবে এক বছর

দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইসি। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং পরে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

তবে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে এসএসসি পরীক্ষা ও বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য বন্যার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। নির্বাচনের আয়োজন যেন স্বাভাবিক জনজীবন ও গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় বিঘ্ন না ঘটায়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকবে কমিশন।

ভোটার তালিকায় যুক্ত ১০ লাখ নারী, বাদ ২১ লাখ মৃত ভোটার

২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানান সিইসি।

এ লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ কাজে প্রায় ৭৭ হাজার কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। হালনাগাদ কার্যক্রমে প্রায় ১০ লাখ নারী ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সুযোগ এবং অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। এ ছাড়া নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়াতে সামাজিক সচেতনতা তৈরি এবং তরুণদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও কাজ করার কথা জানান সিইসি।

তিনি বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা, নভেম্বরে সংলাপে বসবে ইসি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

শুধু একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনেও একই মান বজায় রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মান ধরে রাখার পাশাপাশি আরও ভালো নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতা ও অনিয়ম ঠেকাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরেও ক্যামেরা থাকবে।

আগামী নভেম্বরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা—বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন করেই কমিশনের দায়িত্ব শেষ হবে না। ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতেও একই মান বজায় রাখতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য রাজনৈতিক দলসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের চাপ ছাড়াই কাজ করছে। কর্মকর্তাদের পেশাদারি ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশনের পাশাপাশি প্রার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও চাই রাজনৈতিক সহযোগিতা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও প্রার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন থাকতে পারে। এ কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সিইসি। এ লক্ষ্যেই নভেম্বরের মধ্যে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় কমিশন।

সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। নির্বাচনে জালিয়াতি হলে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না। তাই নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন এবং প্রবাসী বাংলাদেশি, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও কারাবন্দিদের ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরির বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর হবে ইসি

ইউপি নির্বাচনকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন। অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের এ নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আচরণবিধির কঠোর প্রয়োগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরেও ক্যামেরা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং অনিয়ম শনাক্ত করার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছে কমিশন।

সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, আচরণবিধি বাস্তবায়নে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করতে লাগবে এক বছর

দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইসি। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং পরে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

তবে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে এসএসসি পরীক্ষা ও বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য বন্যার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। নির্বাচনের আয়োজন যেন স্বাভাবিক জনজীবন ও গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় বিঘ্ন না ঘটায়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকবে কমিশন।

ভোটার তালিকায় যুক্ত ১০ লাখ নারী, বাদ ২১ লাখ মৃত ভোটার

২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানান সিইসি।

এ লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ কাজে প্রায় ৭৭ হাজার কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। হালনাগাদ কার্যক্রমে প্রায় ১০ লাখ নারী ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সুযোগ এবং অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। এ ছাড়া নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়াতে সামাজিক সচেতনতা তৈরি এবং তরুণদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও কাজ করার কথা জানান সিইসি।

তিনি বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।