কারাগারের জায়গায় খালেদা জিয়ার নামে বিশ্বমানের পার্ক

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:১৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
সিলেট নগরের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের জায়গায় আধুনিক ও বিশ্বমানের পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে পার্কটির নামকরণ করা হবে। নতুন কারাগার নির্মাণের পর পুরোনো কারাগারের জায়গায় পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেট নগরে মানুষের হাঁটাচলার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। নগরবাসীর বিনোদন ও হাঁটাচলার সুবিধা নিশ্চিত করতে পুরোনো কারাগারের জায়গায় একটি আধুনিক পার্ক নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘সিলেট শহরে হাঁটার জায়গা নেই। নগরবাসীর হাঁটাচলার সুবিধার্থে আমরা সিলেট নগরের পুরোনো কারাগারের জায়গায় একটি আধুনিক ও বিশ্বমানের পার্ক নির্মাণ করব। এই পার্কটিকে আমরা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ করব।’
খালেদা জিয়ার সঙ্গে সিলেটের আবেগের সম্পর্ক
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁদের সবার আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দল ও দেশের জন্য অনেক অবদান রেখেছেন। সিলেট ছিল তাঁর অত্যন্ত প্রিয় জায়গা। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ তিনি সিলেট থেকে শুরু করতেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমার ইচ্ছা, এই পার্কটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ করব।’
নতুন কারাগার নির্মাণের পর শুরু হবে কাজ
পুরোনো কারাগারের জায়গায় পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, পুরোনো কারাগারটি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তবে তার আগে নতুন একটি মেট্রোপলিটন কারাগার নির্মাণের জন্য সময় নেওয়া হয়েছে। বাদাঘাটে বিদ্যমান নতুন কারাগারের পাশে আরও একটি কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য জায়গা অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে।
নতুন কারাগার নির্মাণ সম্পন্ন হলে পুরোনো কারাগারের জায়গায় পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।
কিনব্রিজের পাশে ঝুলন্ত সেতুর পরিকল্পনা
সিলেটকে আরও বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি জানান, কিনব্রিজের পাশে একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে বর্তমানে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। যাচাইয়ের ফলাফল পাওয়ার পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ২০২৮ সালের মধ্যে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ চিত্র দৃশ্যমান হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সিলেট নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, নাগরিকদের বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি এবং আধুনিক নগরব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।






















