ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামুদ্রিক প্রযুক্তি থেকে গাড়ি কেনাবেচা, জমে উঠেছে আইসিসিবি ভোটের আগে ২০৩ এমপির জন্য ৫১ কোটি টাকা, বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন দুর্নীতি ও দুঃশাসনে সামাজিক উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল: পানি সম্পদমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯২টি ককটেল উদ্ধার দুর্গাপূজায় নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, নিরাপত্তায় ২১০০ পুলিশ পূজায় সরকারি দপ্তর বন্ধ, চালু পোশাক কারখানা জ্বালানি তেলের বাড়তি দামে চাপে চালের বাজার, কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা পাসের হার নয়, শিক্ষার প্রকৃত মান যাচাইয়ে বছরভিত্তিক মূল্যায়নের প্রস্তাব মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর মহাষষ্ঠীতে শুরু শারদীয় দুর্গাপূজা

ভোটের আগে ২০৩ এমপির জন্য ৫১ কোটি টাকা, বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউপি নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন দলের ২০৩ সংসদ সদস্যের পছন্দের প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, এমন আসনের ইউনিয়নগুলো এ বরাদ্দের বাইরে রয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বরাদ্দের আওতায় ২০৩টি সংসদীয় আসনের এমপিরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ পাবেন। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মোট ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা।


বরাদ্দের অর্থ আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে ব্যয় করতে হবে।

অন্যদিকে, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে এই অর্থ ব্যয়ের সুযোগ এবং বরাদ্দের বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, এমন সংসদীয় আসনের ইউনিয়নগুলো এ বিশেষ বরাদ্দ পায়নি। তবে বিরোধী জোট ছেড়ে যাওয়া খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের আসন সিলেট-৫-এর ইউনিয়নগুলোর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের অভিযোগ, ইউপি নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের পছন্দের প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দিতেই এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, নির্বাচনের আগে সরকারি অর্থে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের এই সুযোগ ভোটের পরিবেশ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে, আসনভিত্তিক বণ্টনের মানদণ্ড কী ছিল এবং বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের আসনগুলো কেন বাদ পড়েছে—এসব প্রশ্নের ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে বরাদ্দের অর্থ কী ধরনের প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে এবং সেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন কীভাবে তদারক করা হবে, তা নিয়েও স্বচ্ছতা প্রয়োজন।

বরাদ্দের সময়কাল, উপকারভোগী আসনের নির্বাচনভিত্তিক বিভাজন এবং অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বিশেষ বরাদ্দের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এ বরাদ্দ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কি না, তা নির্ধারণে প্রকল্পের ধরন, বাস্তবায়নের সময়, ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভোটের আগে ২০৩ এমপির জন্য ৫১ কোটি টাকা, বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

ইউপি নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন দলের ২০৩ সংসদ সদস্যের পছন্দের প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, এমন আসনের ইউনিয়নগুলো এ বরাদ্দের বাইরে রয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বরাদ্দের আওতায় ২০৩টি সংসদীয় আসনের এমপিরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ পাবেন। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মোট ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা।


বরাদ্দের অর্থ আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে ব্যয় করতে হবে।

অন্যদিকে, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে এই অর্থ ব্যয়ের সুযোগ এবং বরাদ্দের বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, এমন সংসদীয় আসনের ইউনিয়নগুলো এ বিশেষ বরাদ্দ পায়নি। তবে বিরোধী জোট ছেড়ে যাওয়া খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের আসন সিলেট-৫-এর ইউনিয়নগুলোর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের অভিযোগ, ইউপি নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের পছন্দের প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দিতেই এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, নির্বাচনের আগে সরকারি অর্থে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের এই সুযোগ ভোটের পরিবেশ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে, আসনভিত্তিক বণ্টনের মানদণ্ড কী ছিল এবং বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের আসনগুলো কেন বাদ পড়েছে—এসব প্রশ্নের ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে বরাদ্দের অর্থ কী ধরনের প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে এবং সেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন কীভাবে তদারক করা হবে, তা নিয়েও স্বচ্ছতা প্রয়োজন।

বরাদ্দের সময়কাল, উপকারভোগী আসনের নির্বাচনভিত্তিক বিভাজন এবং অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বিশেষ বরাদ্দের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে এ বরাদ্দ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে কি না, তা নির্ধারণে প্রকল্পের ধরন, বাস্তবায়নের সময়, ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হবে।