ভোটচুরির অভিযোগে দিল্লিতে আটক মমতা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৪২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
ভোটচুরির অভিযোগে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তৃণমূলের শীর্ষ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাকেত গোখেল, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল ও শামিরুল ইসলামকেও আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে সেখানে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তর মন্তরে কর্মসূচি করতে না পেরে সাউথ অ্যাভিনিউয়ে নিজের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের অন্য নেতারাও ছিলেন। পুলিশ তাঁদের অবস্থান প্রত্যাহারের কথা বললেও তাঁরা রাজি হননি। পরে তাঁদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।
আটক হওয়ার পর প্রিজন ভ্যান থেকেই ফেসবুক লাইভে এসে পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রথমে তাঁরা যন্তর মন্তরে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। একটি সংগঠন তাঁদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বাসভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করলেও তাঁদের আটক করা হয়েছে।
মমতা আরও অভিযোগ করেন, আটকের পর তাঁদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে না নিয়ে দিল্লির বিভিন্ন সড়কে ঘোরানো হচ্ছে। লাইভে তাঁকে প্রতিবাদী বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি গান গাইতেও দেখা যায়।
নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা কার্যকর থাকায় জমায়েত ও বিক্ষোভের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এসব বিধিনিষেধ অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে পুলিশ।
এদিকে, কেরলের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও শনিবার দিল্লি পুলিশ আটক করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্য নেতাদের আটকের পর তাঁদের কোথায় নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।


























