দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর পর ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’—দুদকের এমন বক্তব্যসংবলিত প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটটি হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ রিটটি কার্যতালিকা থেকে ডিলিট করে দেন।
তবে রিটটি খারিজ করা হয়নি। অবকাশকালীন বেঞ্চের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর নিয়মিত বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা।
যে কারণে রিট
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গত রোববার হাইকোর্টে রিটটি করেন। রিটে ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের দেওয়া দুটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
রিটকারীর আইনজীবীর ভাষ্য, ওই দুই ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর পর ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে জানানো হয়। তাদের দাবি, অনুসন্ধানের পর্যায়ে এ ধরনের বক্তব্য সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা মর্যাদা ও সুনামের সুরক্ষা এবং দুদকের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
রিটে ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রেস ব্রিফিংকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করা থেকে দুদককে বিরত রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
আরও যেসব নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে
রিটে চলমান অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের প্রেস ব্রিফিং করা থেকে দুদককে বিরত রাখতে অন্তর্বর্তী নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদকে নিয়ে দুদকের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে একই গুরুত্ব দিয়ে তা প্রকাশের নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন, আইনজীবী ইউসুফ আলী ও জহিরুল ইসলাম মুসাসহ অন্যরা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন ও শিহাব উদ্দিন খান।























