ফিক্সিং তদন্তে বিপিএলের দুই কর্মকর্তা অভিযুক্ত, সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মাঠে না থাকলেও থামেনি দুর্নীতিবিরোধী তদন্ত। ফিক্সিং কাণ্ডের অনুসন্ধানে এবার বিপিএলের দুই দলের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ও মো. আমিন খানকে।
বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডের একাধিক ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাবের তথ্য গোপন, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি।
বিসিবি জানায়, বিপিএলের একাদশ ও দ্বাদশ আসরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত তদন্তে এসব অভিযোগ সামনে এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের মুখে থাকা আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ছিলেন দ্বাদশ বিপিএলের দল চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক। তার বিরুদ্ধে আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে মো. আমিন খান একাদশ আসরে দুর্বার রাজশাহী এবং দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম অফিসিয়াল (অপারেশন ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবির ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্নীতিবিরোধী বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দুর্নীতির কোনো প্রস্তাব বা কার্যক্রম সম্পর্কে নির্ধারিত কর্মকর্তাকে জানানো বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করাও নিয়মের অংশ।
ফিক্সিং ইস্যুতে এর আগেও বিপিএল ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে। এবার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তাদের জবাব ও পরবর্তী তদন্তের ওপরই নির্ভর করবে পরবর্তী পদক্ষেপ।






















