ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে ঘুম নেই, সকালে ক্লান্তি! ‘সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন’-এর লক্ষণ চিনবেন যেভাবে কৃত্রিম রুম ফ্রেশনার নয়, ঘর মাতুক ৬ সুগন্ধি ফুলের গাছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবির আভাস, সমর্থন নেমে ৩৬ শতাংশে নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন শরীরী দৃশ্যে আপত্তি রশ্মিকার গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পাসওয়ার্ড ছাড়াই সার্ভারে হামলার শঙ্কা, সতর্কতায় কয়েকটি সাইট স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সেচ পাম্প সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসচিব

পাঁচবিবিতে ৬৫৬ ট্যাপেন্টাডলসহ নারী আটক, পালিয়ে গেলেন কথিত সাংবাদিক শাহীন

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযানে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ টাকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় এক নারীকে আটক করেছে বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ দল। তবে অভিযানের খবর পেয়ে কথিত সাংবাদিক ও তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলম পালিয়ে যান।

বুধবার ভোর রাতে উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম উচনা গ্রামে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর অধিনায়কের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম উচনা এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শাহীন আলমের বাড়িতে স্থানীয় মেম্বার, ইমাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে শাহীন আলমের নিজ কক্ষ থেকে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ ৩ হাজার ৭৯৭ টাকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালে শাহীন আলম বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মোছা. উম্মে হাবিবাকে আটক করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।

বিজিবির দাবি, শাহীন আলম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিগত সরকারের সময় দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয়ভাবে চাঁদা আদায় এবং ছোট ছোট গ্যাংয়ের মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহীন দীর্ঘদিন ধরে একটি গ্যাং গঠন করে মাদক ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। এলাকার মাদক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন, পলাশ মিয়া ও স্থানীয় মেম্বার লাইজু মিয়ার মৌখিক অভিযোগে এসব তথ্য জানা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, শাহীন আলম রাষ্ট্রীয় গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্য ভারতে পাচার করতেন এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন—এমন অভিযোগও স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহীন আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযান চলাকালে তিনি পালিয়ে যাওয়ায় তাকে মামলায় পলাতক আসামি করা হয়েছে।

২০ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টাস্কফোর্সের অভিযানের অংশ হিসেবে শাহীন আলমকে পলাতক আসামি এবং আটক তার স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে আসামি করে উদ্ধার করা ট্যাপেন্টাডল, নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য তাদের পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাঁচবিবিতে ৬৫৬ ট্যাপেন্টাডলসহ নারী আটক, পালিয়ে গেলেন কথিত সাংবাদিক শাহীন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযানে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ টাকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় এক নারীকে আটক করেছে বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ দল। তবে অভিযানের খবর পেয়ে কথিত সাংবাদিক ও তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলম পালিয়ে যান।

বুধবার ভোর রাতে উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম উচনা গ্রামে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর অধিনায়কের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম উচনা এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শাহীন আলমের বাড়িতে স্থানীয় মেম্বার, ইমাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে শাহীন আলমের নিজ কক্ষ থেকে ৬৫৬ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ ৩ হাজার ৭৯৭ টাকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অভিযান চলাকালে শাহীন আলম বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মোছা. উম্মে হাবিবাকে আটক করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।

বিজিবির দাবি, শাহীন আলম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিগত সরকারের সময় দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয়ভাবে চাঁদা আদায় এবং ছোট ছোট গ্যাংয়ের মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহীন দীর্ঘদিন ধরে একটি গ্যাং গঠন করে মাদক ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। এলাকার মাদক ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন, পলাশ মিয়া ও স্থানীয় মেম্বার লাইজু মিয়ার মৌখিক অভিযোগে এসব তথ্য জানা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, শাহীন আলম রাষ্ট্রীয় গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্য ভারতে পাচার করতেন এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন—এমন অভিযোগও স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহীন আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযান চলাকালে তিনি পালিয়ে যাওয়ায় তাকে মামলায় পলাতক আসামি করা হয়েছে।

২০ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টাস্কফোর্সের অভিযানের অংশ হিসেবে শাহীন আলমকে পলাতক আসামি এবং আটক তার স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে আসামি করে উদ্ধার করা ট্যাপেন্টাডল, নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য তাদের পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।