ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ও মঈন খানের দায়িত্ব বাড়াল সরকার আর্থিক চাপে আমেরিকা, ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত ট্রাম্পের শেখ সেলিমকে নেতৃত্বে আনার ইস্যুতে আওয়ামী লীগে নতুন অস্বস্তি? সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুতে ৪২ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১ হাজার ৪৯২ সিসিটিভির আওতায় আসছে পুরো ঢাকা, পুনর্গঠন হচ্ছে প্রকল্পের ডিপিপি ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না তারেক রহমান, আমন্ত্রণ নিয়ে অসন্তুষ্ট ঢাকা জাতীয় মহিলা সংস্থার নতুন চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস র‌্যাব বিলুপ্ত, পুলিশের অধীনে নতুন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনে আইন পাস রাষ্ট্রায়ত্ত দুই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় রদবদল

৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর বাবদ এনবিআর-এর পাওনা টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

​মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।

​রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, “এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।”

​উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর বাবদ এনবিআর-এর পাওনা টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

​মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।

​রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, “এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।”

​উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।