ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং রাডার অচল, তবু চলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস; গভীর সমুদ্রের তথ্য নিয়ে শঙ্কা হু হু করে বাড়ছে পদ্মার পানি, বন্ধ ১৮ স্কুলের পাঠদান খেলাপির চাপে নড়বড়ে ১৫ ব্যাংক, প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা ডিম-মুরগি থেকে মাছ-সবজি—ছয় মাসে ঢাকার বাজারে যতটা বদল ৬৪ জেলায় বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ও মঈন খানের দায়িত্ব বাড়াল সরকার আর্থিক চাপে আমেরিকা, ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত ট্রাম্পের শেখ সেলিমকে নেতৃত্বে আনার ইস্যুতে আওয়ামী লীগে নতুন অস্বস্তি?

বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা হলেন, বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার।

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের নৈতিক স্খলন এবং তাদের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক তারা খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত করা হয়। পরে তাদের নিজ কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবিএম সাইফুল ইসলামকে দূরবর্তী বালুচরা সমাজ কল্যান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তি দেওয়া হয়। যদিও কাগজপত্রে তাদের কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০২৬ সালের আগস্টের শেষের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষেই ওই দুই শিক্ষক অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬



সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনের একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব। এর আগে গত রোববার পৃথক দুটি আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা হলেন, বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবিএম সাইফুল ইসলাম ও বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার।

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের নৈতিক স্খলন এবং তাদের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি মোতাবেক তারা খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে ওই দুই শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদন্ত করা হয়। পরে তাদের নিজ কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবিএম সাইফুল ইসলামকে দূরবর্তী বালুচরা সমাজ কল্যান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জেসমিন আক্তারকে ডহরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংযুক্তি দেওয়া হয়। যদিও কাগজপত্রে তাদের কর্মস্থল ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০২৬ সালের আগস্টের শেষের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধারণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষেই ওই দুই শিক্ষক অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এবং বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।