ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন, আরেকজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে, আত্মগঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীন গণমাধ্যমের নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নিজ উপজেলায় বিআরডিবি কর্মকর্তার বদলি নিয়ে প্রশ্ন, উঠেছে নানা অভিযোগ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে, প্রার্থী দেবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা, উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ! জানুন শরীরে কী ক্ষতি হতে পারে

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন, আরেকজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এক মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আদালত। মামলায় হোসেন আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় হিরু মিয়া ওরফে হায়দার (৫৫) নামে অপর আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হোসেন আলী টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাহারতা গ্রামের রামখাঁর ছেলে। অন্যদিকে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হিরু মিয়া সখীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোসেন আলী ও হিরু মিয়াকে আটক করে। এ সময় হোসেন আলীর কাছ থেকে ৯০ গ্রাম এবং হিরু মিয়ার কাছ থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে একই মামলার অপর দুই অভিযুক্ত—পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলহাজ মিয়া ও সুমী আক্তার পালিয়ে যান।

পরদিন গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচারকালে মোট নয়জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রায়ের পর পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হিরু মিয়াকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হোসেন আলী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন, আরেকজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এক মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আদালত। মামলায় হোসেন আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় হিরু মিয়া ওরফে হায়দার (৫৫) নামে অপর আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হোসেন আলী টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাহারতা গ্রামের রামখাঁর ছেলে। অন্যদিকে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হিরু মিয়া সখীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোসেন আলী ও হিরু মিয়াকে আটক করে। এ সময় হোসেন আলীর কাছ থেকে ৯০ গ্রাম এবং হিরু মিয়ার কাছ থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে একই মামলার অপর দুই অভিযুক্ত—পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলহাজ মিয়া ও সুমী আক্তার পালিয়ে যান।

পরদিন গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচারকালে মোট নয়জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রায়ের পর পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হিরু মিয়াকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হোসেন আলী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।