ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাসিনা-আজিজ-বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে, প্রার্থী দেবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা, উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসির ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ! জানুন শরীরে কী ক্ষতি হতে পারে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৩ দিনের ছুটি, ক্লাস হবে ৩৮ দিন আদালতে খুলছে জাবেদের ‘ছক’: জাল ট্রেড লাইসেন্স,মিথ্যা পরিচয়ে ব্যাংক হিসাব, ২৫ কোটির ঋণ চুল পড়া কমাতে রোজমেরি হেয়ার স্প্রে, ঘরেই তৈরি করুন সহজ উপায়ে তৃতীয় বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার লক্ষ্যে ২০২৮ সালে ভোটে লড়বেন ট্রাম্প

২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হওয়ার দাবি তুলে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটটি দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।

রিট আবেদনের বিষয়ে আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রথম ধাপে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট টুথপেস্টগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন করবেন।

এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডিও) প্রধান কার্যালয়ে দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্ট নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। এছাড়া শিশুদের জন্য তৈরি ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লোরাইড জেল’-এ, যেখানে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩২০টি কণা শনাক্ত হয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ এই ব্র্যান্ডটি ব্যবহার করেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া ‘ক্লোজ আপ রেড হট’ এবং ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ’-এ প্রতি ১০০ গ্রামে ১৬০টি করে, ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’-তে ১৪০টি, ‘সিগন্যাল গ্রিন টি’-তে ১২০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট’‘হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার’-এ ১০০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট’-এ ৮০টি, ‘পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্ট’, ‘হোয়াইট প্লাস রেড’, ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেল’, ‘সিগন্যাল হোয়াইটেনিং’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’ এবং ‘মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা’-য় ৬০টি করে কণা শনাক্ত হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘এমপিএম হারবাল’, ‘মেডিপ্লাস ডিএস’, ‘পেপসোডেন্ট জার্মিচেক’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’, ‘ম্যাজিক হারবাল’, ‘মেসওয়াক’ এবং ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশে’-তে প্রতি ১০০ গ্রামে ৪০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ‘ডেন্টিন জেল’, ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’, ‘ক্লোজআপ লেমন সি সল্ট’, ‘ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেল’ এবং ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ’-এ প্রতি ১০০ গ্রামে ২০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গবেষণায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া শিশুদের টুথপেস্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’ এবং ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’

তবে গবেষণার ফলাফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট টুথপেস্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তখনও পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হওয়ার দাবি তুলে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটটি দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।

রিট আবেদনের বিষয়ে আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রথম ধাপে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট টুথপেস্টগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন করবেন।

এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডিও) প্রধান কার্যালয়ে দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্ট নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। এছাড়া শিশুদের জন্য তৈরি ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লোরাইড জেল’-এ, যেখানে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩২০টি কণা শনাক্ত হয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ এই ব্র্যান্ডটি ব্যবহার করেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া ‘ক্লোজ আপ রেড হট’ এবং ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ’-এ প্রতি ১০০ গ্রামে ১৬০টি করে, ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’-তে ১৪০টি, ‘সিগন্যাল গ্রিন টি’-তে ১২০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট’‘হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার’-এ ১০০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট’-এ ৮০টি, ‘পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্ট’, ‘হোয়াইট প্লাস রেড’, ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেল’, ‘সিগন্যাল হোয়াইটেনিং’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’ এবং ‘মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা’-য় ৬০টি করে কণা শনাক্ত হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘এমপিএম হারবাল’, ‘মেডিপ্লাস ডিএস’, ‘পেপসোডেন্ট জার্মিচেক’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’, ‘ম্যাজিক হারবাল’, ‘মেসওয়াক’ এবং ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশে’-তে প্রতি ১০০ গ্রামে ৪০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ‘ডেন্টিন জেল’, ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’, ‘ক্লোজআপ লেমন সি সল্ট’, ‘ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেল’ এবং ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ’-এ প্রতি ১০০ গ্রামে ২০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গবেষণায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া শিশুদের টুথপেস্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’ এবং ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’

তবে গবেষণার ফলাফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট টুথপেস্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তখনও পাওয়া যায়নি।