জাতীয় শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে ক্রীড়া, পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তুলতে সরকার ক্রীড়াকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, ক্রীড়াকে শুধু শরীরচর্চা বা বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছে সরকার।
রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ভিত্তি। সরকার ক্রীড়াকে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছে।
তিনি জানান, তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে দেশব্যাপী পরিচালিত হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫–২০২৬’ কর্মসূচি। আগামী ২৭ জুলাই বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এ আয়োজনের প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
তারেক রহমান বলেন, খেলাধুলা শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, অধ্যবসায়, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়। তাই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যকর একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠছে।
তিনি আরও জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬–২০২৭’ আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল যুক্ত হওয়ায় ইভেন্টের সংখ্যা বেড়ে ১০-এ উন্নীত হবে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১০ থেকে ১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে আরও বেশি প্রতিভাবান শিশু-কিশোর এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর খুদে খেলোয়াড়রাই একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা গৌরবের সঙ্গে বহন করবে এবং দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
স্ট্যাটাসের শেষে তিনি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫–২০২৬’-এর প্রথম আসরে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক, বিচারক, আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।




















