ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার: আইনমন্ত্রী সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, তদন্তের আবেদন রাষ্ট্রপতি দৌড়ে নারী চমক? নতুন সমীকরণে সরগরম রাজনীতি কওমি মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন, থামবে কবে এই অমানবিকতা? আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকেই মুনাফা করতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী দুই কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাজী আনোয়ারের প্রশ্ন—‘আমরা কোথায় যাব?’

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, তদন্তের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত ঘটনায় মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের ভূমিকা তদন্তের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মো. সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেননি। এছাড়া গুম, হত্যা এবং কথিত ‘আয়নাঘর’ ইস্যুতেও তিনি প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেননি। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ঘটনায় তাঁর নীরব সমর্থন ছিল।

ট্রাইব্যুনালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযান এবং বিভিন্ন সময়ের গুম ও হত্যার ঘটনায় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন। তাই ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আওতায় তাঁদের ভূমিকা তদন্ত করা প্রয়োজন।

এদিকে, একই দিনে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক একটি অভিযোগ জমা দেয়। সংগঠনটির অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করেছিলেন।

তবে অভিযোগগুলো তদন্তাধীন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য বা ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, তদন্তের আবেদন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত ঘটনায় মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের ভূমিকা তদন্তের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মো. সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেননি। এছাড়া গুম, হত্যা এবং কথিত ‘আয়নাঘর’ ইস্যুতেও তিনি প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেননি। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ঘটনায় তাঁর নীরব সমর্থন ছিল।

ট্রাইব্যুনালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযান এবং বিভিন্ন সময়ের গুম ও হত্যার ঘটনায় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন। তাই ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আওতায় তাঁদের ভূমিকা তদন্ত করা প্রয়োজন।

এদিকে, একই দিনে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক একটি অভিযোগ জমা দেয়। সংগঠনটির অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করেছিলেন।

তবে অভিযোগগুলো তদন্তাধীন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য বা ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।