ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী দুই কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাজী আনোয়ারের প্রশ্ন—‘আমরা কোথায় যাব?’ সরকারের আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার করল সিজেপি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা, পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন চার মাসেই ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে বিএনপি সরকার পূর্বাচলে একবার ভিটেমাটি হারিয়েছিলেন, তিন দশক পর আবার উচ্ছেদের শঙ্কা ৬২১ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভর্তি বন্ধের নির্দেশ ‘ককরোচ’ আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিউটি ও ব্রাইডাল ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্বমঞ্চে নিতে ঢাকায় সেলিনা মনির

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সময়ের পরিবর্তিত নিরাপত্তা বাস্তবতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্যাটেলাইট নজরদারি ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সামুদ্রিক ও সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, সাইবার হুমকি, তথ্যযুদ্ধ, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানবিক সহায়তাসহ বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন অনুযায়ী একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শক্তি শুধু সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না; বরং পুরো জাতির ঐক্য, প্রস্তুতি ও সহনশীলতার ওপরও নির্ভরশীল। এ লক্ষ্য সামনে রেখে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাবনার আলোকে একটি আধুনিক জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নীতিমালায় সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, শিল্প, প্রযুক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তৈরির কাজ শুরু করেছে। এ পরিকল্পনায় সংখ্যাগত সম্প্রসারণের পরিবর্তে সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, কার্যকারিতা এবং তিন বাহিনীর সমন্বিত সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রতিরক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা, সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ এবং গণতান্ত্রিক সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা।

সেনাবাহিনীর পদোন্নতি ও পদায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকেই মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেনাসদর সিলেকশন বোর্ডের মাধ্যমে যোগ্য কর্মকর্তাদের নির্বাচনের ফলে সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং দক্ষ নেতৃত্বের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, একজন সেনা কর্মকর্তার পদোন্নতির ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা ও ফিটনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রয়াত মার্কিন জেনারেল এইচ. নরম্যান শোয়ার্জকফের বিখ্যাত উক্তি উল্লেখ করে বলেন, “যত বেশি শান্তিকালে ঘাম ঝরবে, যুদ্ধক্ষেত্রে তত কম রক্ত ঝরবে।” তাই সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ও শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান এবং বিভিন্ন জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

তিনি ২০২৫ সালে দক্ষিণ সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে ড্রোন হামলায় নিহত ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় সেনাবাহিনীর ভূমিকারও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে সেনাবাহিনীকে আরও বেশি পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।

বক্তব্যের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো—‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’ দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একটি আধুনিক, আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সময়ের পরিবর্তিত নিরাপত্তা বাস্তবতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্যাটেলাইট নজরদারি ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর দপ্তরে আয়োজিত ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সামুদ্রিক ও সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, সাইবার হুমকি, তথ্যযুদ্ধ, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানবিক সহায়তাসহ বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন অনুযায়ী একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শক্তি শুধু সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না; বরং পুরো জাতির ঐক্য, প্রস্তুতি ও সহনশীলতার ওপরও নির্ভরশীল। এ লক্ষ্য সামনে রেখে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাবনার আলোকে একটি আধুনিক জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নীতিমালায় সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, শিল্প, প্রযুক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তৈরির কাজ শুরু করেছে। এ পরিকল্পনায় সংখ্যাগত সম্প্রসারণের পরিবর্তে সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, কার্যকারিতা এবং তিন বাহিনীর সমন্বিত সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রতিরক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা, সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, যুগোপযোগী প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন, দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ এবং গণতান্ত্রিক সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা।

সেনাবাহিনীর পদোন্নতি ও পদায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকেই মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেনাসদর সিলেকশন বোর্ডের মাধ্যমে যোগ্য কর্মকর্তাদের নির্বাচনের ফলে সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং দক্ষ নেতৃত্বের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, একজন সেনা কর্মকর্তার পদোন্নতির ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা ও ফিটনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রয়াত মার্কিন জেনারেল এইচ. নরম্যান শোয়ার্জকফের বিখ্যাত উক্তি উল্লেখ করে বলেন, “যত বেশি শান্তিকালে ঘাম ঝরবে, যুদ্ধক্ষেত্রে তত কম রক্ত ঝরবে।” তাই সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ও শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান এবং বিভিন্ন জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

তিনি ২০২৫ সালে দক্ষিণ সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে ড্রোন হামলায় নিহত ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় সেনাবাহিনীর ভূমিকারও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে সেনাবাহিনীকে আরও বেশি পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।

বক্তব্যের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো—‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’ দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একটি আধুনিক, আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাবে।