ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা, পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
মারণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা। ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি ও তাঁর পরিবার যখন আর্থিক সংকটে পড়েন, তখন মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন।
সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ফাউন্ডেশনটি ইয়াসমিন আরার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। এই সহযোগিতা তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বেঁচে থাকার সাহসও জুগিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ইয়াসমিন আরা শিক্ষার্থীদের কাছে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। অসুস্থতার মধ্যেও তিনি নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে তৃতীয় ধাপের ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তাঁর জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসে। বর্তমানে ক্যান্সার লিম্ফ নোডেও ছড়িয়ে পড়ায় তাঁকে নিয়মিত ওরাল কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে।
নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে ইয়াসমিন আরা বলেন, “আমার চিকিৎসায় ইতোমধ্যে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। একটি ইনজেকশনের দামই ছিল এক লাখ টাকা। এখন প্রতি মাসে শুধু ওষুধের পেছনেই প্রায় ৬৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। তবু আমি আশা ছাড়িনি।”
তিনি আরও বলেন, “শরীর খুব একটা ভালো না থাকলেও যতদিন পেরেছি ক্লাস নিয়েছি। শিক্ষার্থীরা আমার ক্লাস খুব পছন্দ করে। সুস্থ হয়ে আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরতে চাই। বসে থাকতে ভালো লাগে না। আবার আগের মতো কাজ করতে চাই।”
শিক্ষিকার এই সংকটের খবর জানতে পেরে তাঁর পাশে দাঁড়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের চিফ কো-অর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা ইয়াসমিন আরাকে আর্থিক সহায়তা করেছি এবং তাঁকে আশ্বস্ত করেছি যে, এবিজি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন তাঁর পাশে রয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে যেভাবে আমাদের চেয়ারম্যান সবসময় দাঁড়িয়েছেন, সমাজের বিত্তবানদেরও তেমনি মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত।”
এই সহায়তা শুধু চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর সহায়তাই নয়, ইয়াসমিন আরার জন্য নতুন করে স্বপ্ন দেখার শক্তিও হয়ে উঠেছে। ক্যান্সারকে জয় করে আবারও প্রিয় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিরে গিয়ে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।




















