নতুন অর্থনৈতিক সমীকরণের বার্তা, ঢাকায় ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)-এর ১৮ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীতে পৌঁছানো প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জী। সফরে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি এবং বিদ্যমান বাণিজ্যিক বাধা কমানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
সফরকালে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গেও তাদের বৈঠকের সূচি রয়েছে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
প্রতিনিধিদলে ভারতের বড় শিল্পগোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রিজের গ্রুপ প্রেসিডেন্ট রাকেশ স্বামী, ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনালের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুচিত্রা কে. এলা, দ্য ইনফ্রাভিশনের প্রতিষ্ঠাতা বিনায়ক চ্যাটার্জি, অরবিন্দ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পরম শাহ, এলএমডব্লিউ গ্লোবালের চিফ অপারেটিং অফিসার পিজে রাজেশ, মাহিন্দ্রা গ্রুপের আঞ্চলিক প্রধান রাজেশ গুপ্ত ও কৃষ্ণ খাটওয়ানি, গোদরেজ কনজিউমার প্রোডাক্টসের দক্ষিণ এশিয়া প্রধান, ফোর্বস মার্শাল গ্রুপের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের প্রধান দীপক শর্মা এবং অ্যাপোলো হসপিটালসের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের প্রধান এম এস গুরু প্রসাদ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই বছরে দুই দেশের আরোপ করা বিভিন্ন বন্দর ও বাণিজ্যসংক্রান্ত বিধিনিষেধের প্রভাবে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর নতুন করে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে।
বিশেষ করে বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে আলোচনার ফল কী হয়, সেটিই এখন নজরের কেন্দ্রে। ভারত-বাংলাদেশের সামগ্রিক কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন নতুন সমীকরণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই সিআইআইয়ের এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবনের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।




















