ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ, আমন্ত্রণপত্র তুলে দিলেন রাষ্ট্রদূত বদলে যাচ্ছে দেশের অর্থবছর, এপ্রিল-মার্চে হবে নতুন হিসাব ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে এবিজি-ডিএনসিসির যৌথ উদ্যোগের প্রত্যাশা সংবিধান লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে ইউনূস ৩৪৯ সদস্যের সংসদে ফখরুল এগিয়ে, অলি আহমদের পক্ষে যাবে কত ভোট? টাঙ্গাইলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পুরস্কার বিতরণ নতুন সংসারের স্বপ্ন, চা-বাগানে থামল দুই প্রাণের পথচলা ড. ইউনূসের দেশত্যাগ ঠেকাতে নোটিশ মৎস্য খাতে নতুন বাজার খুঁজে বের করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লটারিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ প্রকৌশলীকে বদলি

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে এবিজি-ডিএনসিসির যৌথ উদ্যোগের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানী ঢাকাকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি খাত ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গুলশানে ডিএনসিসির কার্যালয়ে এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নগর উন্নয়ন ও জনসেবাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ শেষে এসব তথ্য জানান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বসুন্ধরা একটি মডেল আবাসিক এলাকা। এবিজি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং ডিএনসিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার। এবিজি চেয়ারম্যান তার আমন্ত্রণে ডিএনসিসি কার্যালয়ে এসেছিলেন।

তিনি বলেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সব পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন। এ কারণে নগরবাসীর স্বার্থ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এবিজি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, নগর উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার রয়েছে। সবার সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এই নগরকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাই। নগর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ নগর উন্নয়নে ডিএনসিসিকে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে। একইভাবে জনসেবার স্বার্থে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।

এদিকে রাজধানীর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির কার্যক্রম তুলে ধরে প্রশাসক জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে ডিএনসিসি।তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ডিএনসিসির ১০টি জোনে কঠোর মনিটরিং চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি এডিস মশার বিস্তার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তে ঝটিকা অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে।

বাসাবাড়িতে মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মানুষের ঘরের ভেতরে ঢুকে সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরও ডিএনসিসির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত মশার ওষুধ প্রয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অতীতের তুলনায় বর্তমানে নগরীতে মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বৃষ্টি-বাদল শেষ হওয়ার পর সম্ভাব্য মশার হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোতে বিশেষভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে এবিজি-ডিএনসিসির যৌথ উদ্যোগের প্রত্যাশা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানী ঢাকাকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি খাত ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গুলশানে ডিএনসিসির কার্যালয়ে এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নগর উন্নয়ন ও জনসেবাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ শেষে এসব তথ্য জানান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বসুন্ধরা একটি মডেল আবাসিক এলাকা। এবিজি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং ডিএনসিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার। এবিজি চেয়ারম্যান তার আমন্ত্রণে ডিএনসিসি কার্যালয়ে এসেছিলেন।

তিনি বলেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সব পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন। এ কারণে নগরবাসীর স্বার্থ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এবিজি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, নগর উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার রয়েছে। সবার সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এই নগরকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাই। নগর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ নগর উন্নয়নে ডিএনসিসিকে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে। একইভাবে জনসেবার স্বার্থে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।

এদিকে রাজধানীর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির কার্যক্রম তুলে ধরে প্রশাসক জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে ডিএনসিসি।তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ডিএনসিসির ১০টি জোনে কঠোর মনিটরিং চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি এডিস মশার বিস্তার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তে ঝটিকা অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে।

বাসাবাড়িতে মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মানুষের ঘরের ভেতরে ঢুকে সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরও ডিএনসিসির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত মশার ওষুধ প্রয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অতীতের তুলনায় বর্তমানে নগরীতে মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বৃষ্টি-বাদল শেষ হওয়ার পর সম্ভাব্য মশার হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোতে বিশেষভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।