জনগণের অর্থের সুরক্ষা ও সেবায় কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী অমিত

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণ ও সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, অতীতে অসাধু কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজশে জনগণের অর্থ লুটপাট হয়েছে, তবে বর্তমান সরকারের আমলে সেই সুযোগ আর নেই। জনগণের প্রাপ্য সুবিধা সঠিকভাবে তাদের কাছেই পৌঁছে দেওয়া হবে।
শুক্রবার যশোর সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিভিন্ন সহায়তা ও উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রোগীদের জন্য ফ্যান, হুইলচেয়ার, ট্রলি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার সামগ্রী, কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সরঞ্জাম, নগদ অর্থ সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ী এবং সেরা স্টল ও উদ্যোক্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্যে বিশ্বাস করে না। ধর্ম, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি জানান, পারিবারিক কার্ড কর্মসূচিও সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতির উদ্দেশ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা, জনগণের আস্থা ভঙ্গ করা নয়। তাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন। যশোরকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে প্রশাসনকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে।
শিক্ষার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী জানান, যশোর সদর উপজেলার প্রতিটি স্কুল ও কলেজের কম্পিউটার ল্যাব পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন এবং লাইব্রেরির জন্য নতুন বই সংগ্রহে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ১০০টি ফ্যান, ১০টি ট্রলি ও ১০টি হুইলচেয়ার, প্রতিবন্ধী কেন্দ্রে ১০টি হুইলচেয়ার, আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ফটোকপি মেশিনসহ ডিজিটাল ডিভাইস, ১৭৫ জনকে নগদ চার হাজার টাকা, ১০ জনকে গৃহ নির্মাণের চেক, ৫০ জনকে খাদ্যসামগ্রী, তিনজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা করে ঋণ এবং ছয়জন কৃষি উদ্যোক্তার হাতে প্রক্রিয়াজাতকরণ সরঞ্জাম তুলে দেন।





















