ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর স্পিকারের বাসভবনে ভিভিআইপি নিরাপত্তা জোরদার টাঙ্গাইলে ৫০০ কৃতি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান ইস্তফা দিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্রে কী লেখা আছে সিলেটে বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে সুরমা-কুশিয়ারা পানি নতুন ভিডিও, পুরোনো বিতর্ক: গাজী নজরুলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত কোন শর্তে অনশন ভাঙলেন সোনম? রোনাল্ডো অবসর নিলেই বড় আর্থিক ধাক্কা? পর্তুগাল ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা ছাত্র আন্দোলনে উসকানি পাকিস্তান থেকে! ষড়যন্ত্র ফাঁস করল দিল্লি পুলিশ আরশোলাদের আড়ালে বিদেশি ‘নীল নকশা’

ইস্তফা দিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অবশেষে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। ফলে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার থেকেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের জোর গুঞ্জন চলছিল। বঙ্গভবন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রও তাঁর পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সেই জল্পনার অবসান হলো।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন মহলে দাবি করা হচ্ছে, চলতি বছরের মে মাসে যুক্তরাজ্য সফরের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কথিত ফোনালাপকে কেন্দ্র করেই সরকারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। তবে এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, কথিত ওই ফোনালাপের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই এবং প্রয়োজন হলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে। তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই তিনি দায়িত্ব ছাড়লেন।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাঁর অপসারণের দাবি তুললেও তিনি দায়িত্বে বহাল ছিলেন। শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইস্তফা দিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

অবশেষে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। ফলে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার থেকেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের জোর গুঞ্জন চলছিল। বঙ্গভবন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রও তাঁর পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সেই জল্পনার অবসান হলো।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন মহলে দাবি করা হচ্ছে, চলতি বছরের মে মাসে যুক্তরাজ্য সফরের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কথিত ফোনালাপকে কেন্দ্র করেই সরকারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। তবে এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, কথিত ওই ফোনালাপের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই এবং প্রয়োজন হলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের এপ্রিলে। তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই তিনি দায়িত্ব ছাড়লেন।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাঁর অপসারণের দাবি তুললেও তিনি দায়িত্বে বহাল ছিলেন। শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।