ঐক্যবদ্ধভাবে সুখী-সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সংকট মোকাবিলায় সব শ্রেণি-পেশা ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) বৈঠকের বিষয়টি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। টিকে থাকতে হলে এবং আগামীতে সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠী বৈষম্যের শিকার হবে না। সবার অংশগ্রহণে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণই সরকারের লক্ষ্য।
বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সমতলে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, রিজার্ভ বনাঞ্চল ও উন্নয়ন প্রকল্পের নামে উচ্ছেদ বন্ধ এবং সহজ শর্তে ঋণ সুবিধাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থপাচার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার না হলে আপনাদের অনেক সমস্যারই সমাধান করা যেত। আমরা পর্যায়ক্রমে যেসব সমস্যা সমাধান সম্ভব, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করছি।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ দেশের ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




















