বাস্তবায়ন হবে ‘জুলাই সনদের’ সব অঙ্গীকার: টুকু

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যাবে না। ‘জুলাই সনদে’ অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সকালে টাঙ্গাইল জেলা হ্যাপি মাঠ স্মৃতিচত্বরে জুলাই আন্দোলনের শহিদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও জেলা প্রশাসক শরিফা হক। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এতে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিভিন্ন ঘটনার বিচার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে সবাইকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণতন্ত্রের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, সরকার নিয়মতান্ত্রিকভাবে সব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। জুলাইয়ের শহিদরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে আত্মত্যাগ করেছেন, সেই গণতন্ত্র যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সবাইকে দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি জানান, সরকার শহিদ ও আহত পরিবারের পাশে রয়েছে এবং তাদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
আলোচনা সভায় জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা নিহত ও আহতদের পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা, পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান, হত্যাকাণ্ডের মামলার দ্রুত চার্জশিট এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে কার্যকরভাবে দাঁড়ানোর দাবি জানান।
সভায় জুলাই আন্দোলনের শহিদ আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ, মহসিন কবিরসহ সকল শহিদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জেলা পুলিশের সদস্য, জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




















