ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বছরে ২,২০০ কোটি টাকার কিস্তি, থার্ড টার্মিনাল ঘিরে উদ্বেগ ভিসা যাচাইয়ে জালিয়াতির সন্দেহ, শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে গেলেন ৭১ যাত্রী কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর মুখোমুখি ফ্রান্স, ম্যাচ কবে-কখন? ৭০ কোটি টাকার সমুদ্রমুখী বাড়িতে আমির-গৌরীর বিয়ে ভ্যাপসা গরমে অতিরিক্ত ঘাম, বাড়ছে কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি? জানালেন বিশেষজ্ঞ মোদিকে হত্যার হুমকি, তদন্তে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ শচীনের রেকর্ড ভেঙে ভারতের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার বৈভব হাসনাতদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ কি ‘প্রোপাগান্ডা’? বিতর্কের কেন্দ্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়, নিজের লোক হলেও ছাড় নয়

ভিসা যাচাইয়ে জালিয়াতির সন্দেহ, শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে গেলেন ৭১ যাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালয়েশিয়াগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের ৭১ যাত্রী বোর্ডিংয়ের আগেই বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও তাঁদের বিমানে না ওঠার ঘটনায় ভিসা যাচাই ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বিমান বাংলাদেশের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটে ২৪৫ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি ৭৬ জন যাত্রীকে ছাড়াই রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

সূত্রগুলোর দাবি, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর পাসপোর্ট ও ই-ভিসার তথ্য যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের ভিসা জাল বলে সন্দেহ করা হলে ওই পাঁচজনকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনার পর একই গ্রুপের আরও ৭১ যাত্রী ধীরে ধীরে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন এবং আর বোর্ডিংয়ে ফেরেননি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, ওই ৭৬ জনই টুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা থাকলেও একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থানের পরিকল্পনা ছিল। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

বিমানবন্দর সূত্রের অভিযোগ, ভিসার সত্যতা যাচাই না করেই এয়ারলাইনসের চেক-ইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়। এরপর যাত্রীরা ইমিগ্রেশনও অতিক্রম করেন। কিন্তু চূড়ান্ত বোর্ডিংয়ের সময় পাঁচজনের ভিসা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টি সামনে আসে।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বোর্ডিং চলাকালে কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কথা জানা যায়। এরপর লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রীকে সরে যেতে দেখা যায়।

তবে বিমানবন্দরের আরেকটি সূত্র ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি, ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কয়েকজন যাত্রীকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আগেই অফলোড করেছিল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ মালয়েশিয়া হয়ে সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের কথা বললেও ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ায় বিদেশযাত্রা স্থগিত করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভিসা যাচাইয়ে জালিয়াতির সন্দেহ, শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে গেলেন ৭১ যাত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালয়েশিয়াগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের ৭১ যাত্রী বোর্ডিংয়ের আগেই বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও তাঁদের বিমানে না ওঠার ঘটনায় ভিসা যাচাই ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বিমান বাংলাদেশের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটে ২৪৫ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি ৭৬ জন যাত্রীকে ছাড়াই রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

সূত্রগুলোর দাবি, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর পাসপোর্ট ও ই-ভিসার তথ্য যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের ভিসা জাল বলে সন্দেহ করা হলে ওই পাঁচজনকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনার পর একই গ্রুপের আরও ৭১ যাত্রী ধীরে ধীরে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন এবং আর বোর্ডিংয়ে ফেরেননি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, ওই ৭৬ জনই টুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা থাকলেও একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থানের পরিকল্পনা ছিল। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

বিমানবন্দর সূত্রের অভিযোগ, ভিসার সত্যতা যাচাই না করেই এয়ারলাইনসের চেক-ইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়। এরপর যাত্রীরা ইমিগ্রেশনও অতিক্রম করেন। কিন্তু চূড়ান্ত বোর্ডিংয়ের সময় পাঁচজনের ভিসা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টি সামনে আসে।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বোর্ডিং চলাকালে কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কথা জানা যায়। এরপর লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রীকে সরে যেতে দেখা যায়।

তবে বিমানবন্দরের আরেকটি সূত্র ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি, ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কয়েকজন যাত্রীকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আগেই অফলোড করেছিল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ মালয়েশিয়া হয়ে সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের কথা বললেও ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ায় বিদেশযাত্রা স্থগিত করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে।