ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোগীদের জিম্মি করে দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব বদল, প্রশাসন সংস্কারের বার্তা রাখাইনে সংঘাতের জেরে নতুন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা ‘রাতের ভোটর’ ডিসি, ৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে ফুটবল মাঠের পর্দা পেরিয়ে হলিউডে রোনাল্ডো মন্ত্রীদের পুলিশ প্রটোকল তুলে নিল কেন, কতদিন কার্যকর থাকবে? ইউক্রেন যুদ্ধে যৌন নির্যাতনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার রুশ সেনার! ‘মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি রাখুন, না হলে ফের ধর্নায় বসব!’ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন, আরেকজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে, আত্মগঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মোদিকে হত্যার হুমকি, তদন্তে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হত্যার হুমকির অভিযোগ সামনে এসেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৯ জুলাই মেলবোর্নের মার্ভেল স্টেডিয়ামে ‘মেলবোর্ন মিট মোদি’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক পোস্টের মন্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে লক্ষ্য করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আবু মুফাসা’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে করা ওই মন্তব্যে লেখা ছিল, ‘অনুষ্ঠান চলাকালে স্টেডিয়ামের ছাদ যেন বন্ধ থাকে, না হলে অস্ট্রেলিয়াতেই তার মৃত্যু হবে।’

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হুমকিসংবলিত মন্তব্যটি নজরে আসার পর বিষয়টি দ্রুত অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং এর সঙ্গে যুক্ত আইপি ঠিকানা শনাক্ত করে তা খতিয়ে দেখছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া প্রশাসন জানিয়েছে, দেশটিতে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা ভিভিআইপি সফরে এলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত নিরাপত্তা ইউনিট দায়িত্ব পালন করে। নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা পরিকল্পনা আরও জোরদার করা হয়েছে।

তবে হুমকির ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না বা মন্তব্যটি কতটা বিশ্বাসযোগ্য—এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মোদিকে হত্যার হুমকি, তদন্তে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হত্যার হুমকির অভিযোগ সামনে এসেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৯ জুলাই মেলবোর্নের মার্ভেল স্টেডিয়ামে ‘মেলবোর্ন মিট মোদি’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠান উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক পোস্টের মন্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে লক্ষ্য করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আবু মুফাসা’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে করা ওই মন্তব্যে লেখা ছিল, ‘অনুষ্ঠান চলাকালে স্টেডিয়ামের ছাদ যেন বন্ধ থাকে, না হলে অস্ট্রেলিয়াতেই তার মৃত্যু হবে।’

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হুমকিসংবলিত মন্তব্যটি নজরে আসার পর বিষয়টি দ্রুত অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং এর সঙ্গে যুক্ত আইপি ঠিকানা শনাক্ত করে তা খতিয়ে দেখছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া প্রশাসন জানিয়েছে, দেশটিতে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা ভিভিআইপি সফরে এলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত নিরাপত্তা ইউনিট দায়িত্ব পালন করে। নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা পরিকল্পনা আরও জোরদার করা হয়েছে।

তবে হুমকির ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না বা মন্তব্যটি কতটা বিশ্বাসযোগ্য—এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।