ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেন খামেনেইয়ের শেষকৃত্য এত দেরিতে? কোথায় ছিল দেহ? রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতার ইতিহাসেই জন্ম আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সির যশোরে র‍্যাবের অভিযান, উদ্ধার বিরল প্রজাতির ২ তক্ষক বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই গণমাধ্যমের মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী গণমাধ্যম যতবেশি স্বাধীন ও শক্তিশালী হবে, গণতন্ত্রও তত বেশি সুদৃঢ় হবে তিন সন্তানকে রেখে ইমামের সঙ্গে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী ভেনেজুয়ালায় ভূমিকম্প: ১৪০ টন ধ্বংসস্তূপের নিচে ৮ দিন বেঁচে ছিলেন হারনান বিশ্বকাপ শেষেই অবসর রোনাল্ডোর! অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা, সাংবাদিক দেখে দৌঁড়ে পালালেন চিকিৎসক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

কেন খামেনেইয়ের শেষকৃত্য এত দেরিতে? কোথায় ছিল দেহ?

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর দিনের সেই ঘটনার ১২৬ দিন পর তেহরানে তাঁর অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করেছে ইরান। ইতিমধ্যেই তেহরানে পৌঁছে গিয়েছে খামেনেইয়ের দেহাবশেষ।

স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্ন উঠছে, মৃত্যুর পর চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও কেন সমাহিত করা হয়নি খামেনেইকে! এতদিন কোথায় রাখা হয়েছিল তাঁর দেহ, সেই প্রশ্নও উঠছে। বলে রাখা ভালো, ইসলামের রীতি অনুযায়ী এত বিলম্ব একেবারেই অস্বাভাবিক। তাঁর মৃত্যুর পর ইরান যে চরম ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, এই বিলম্ব তারই ইঙ্গিতবহ। তাঁর মৃত্যুর পর কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগাতার ইরানে বোমাবর্ষণ করে গিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল।

এই সময়ে খামেনেইয়ের দেহ অস্থায়ী কবর দেওয়া হয়েছিল বলে একটা গুঞ্জন রটেছিল। কিন্তু ইরান প্রশাসনের দাবি, ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনেই খামেনেইয়ের মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ইসলাম সাধারণত রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মরদেহ সংরক্ষণ বা ‘এমবামিং’-এর অনুমোদন দেয় না।

জানা গিয়েছে, দেহটি হিমাগারে সংরক্ষিত করা হয়েছে। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নয়। কারণ ইসলামে রাসায়নিক সংরক্ষণের অনুমতি নেই।

ইরানের ধর্মীয় নেতারা জানিয়েছেন, শিয়া আইন অনুযায়ী বিশেষ পরিস্থিতিতে কবরস্থ করার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং হিমাগারে দেহ সংরক্ষণের অনুমোদন রয়েছে। তাছাড়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ক্ষেত্রে এই ধরনের বিশেষ ধর্মীয় অনুমোদনের বিষয়টি পাওয়াও সহজ।

প্রসঙ্গত, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে প্রধান প্রার্থনাকক্ষে রাখা হয়েছে প্রয়াত নেতার মরদেহের কফিনটি। যাতে আন্তর্জাতিক অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন। ভারত সরকারের দুই প্রতিনিধি ছাড়াও ইরানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদলও তেহরান সফর করছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বদলে তেহরান গিয়েছেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কেন খামেনেইয়ের শেষকৃত্য এত দেরিতে? কোথায় ছিল দেহ?

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:২৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর দিনের সেই ঘটনার ১২৬ দিন পর তেহরানে তাঁর অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করেছে ইরান। ইতিমধ্যেই তেহরানে পৌঁছে গিয়েছে খামেনেইয়ের দেহাবশেষ।

স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্ন উঠছে, মৃত্যুর পর চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও কেন সমাহিত করা হয়নি খামেনেইকে! এতদিন কোথায় রাখা হয়েছিল তাঁর দেহ, সেই প্রশ্নও উঠছে। বলে রাখা ভালো, ইসলামের রীতি অনুযায়ী এত বিলম্ব একেবারেই অস্বাভাবিক। তাঁর মৃত্যুর পর ইরান যে চরম ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, এই বিলম্ব তারই ইঙ্গিতবহ। তাঁর মৃত্যুর পর কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগাতার ইরানে বোমাবর্ষণ করে গিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল।

এই সময়ে খামেনেইয়ের দেহ অস্থায়ী কবর দেওয়া হয়েছিল বলে একটা গুঞ্জন রটেছিল। কিন্তু ইরান প্রশাসনের দাবি, ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনেই খামেনেইয়ের মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ইসলাম সাধারণত রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মরদেহ সংরক্ষণ বা ‘এমবামিং’-এর অনুমোদন দেয় না।

জানা গিয়েছে, দেহটি হিমাগারে সংরক্ষিত করা হয়েছে। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নয়। কারণ ইসলামে রাসায়নিক সংরক্ষণের অনুমতি নেই।

ইরানের ধর্মীয় নেতারা জানিয়েছেন, শিয়া আইন অনুযায়ী বিশেষ পরিস্থিতিতে কবরস্থ করার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং হিমাগারে দেহ সংরক্ষণের অনুমোদন রয়েছে। তাছাড়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ক্ষেত্রে এই ধরনের বিশেষ ধর্মীয় অনুমোদনের বিষয়টি পাওয়াও সহজ।

প্রসঙ্গত, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে প্রধান প্রার্থনাকক্ষে রাখা হয়েছে প্রয়াত নেতার মরদেহের কফিনটি। যাতে আন্তর্জাতিক অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন। ভারত সরকারের দুই প্রতিনিধি ছাড়াও ইরানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদলও তেহরান সফর করছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বদলে তেহরান গিয়েছেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ।