ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ১৯৭৫ সালের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুন সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার অধ্যায়ে প্রবেশ করেছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই অবস্থা থেকে গণমাধ্যমকে মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশে ফিরিয়ে আনার পথ তৈরি করেছিলেন।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে। কারণ তিনি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং সংবাদমাধ্যমকে রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে দেশের সংকটময় মুহূর্তে কোনো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে সহায়তা করেছিল।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, একজন সামরিক কর্মকর্তা হয়েও জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মানসিকতা তাঁকে একজন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি ভিন্নমতকে সম্মান করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য গণতান্ত্রিক পরিসর তৈরি করেছেন এবং জাতীয় সংসদকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্রনায়কই জনমানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারেন না, যদি তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভূমিকার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না রাখেন। শহীদ জিয়া শুধু সংবাদমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় সহায়তাই দেননি, বরং এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন যেখানে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে রাষ্ট্র ও সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়া

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ১৯৭৫ সালের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুন সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার অধ্যায়ে প্রবেশ করেছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই অবস্থা থেকে গণমাধ্যমকে মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশে ফিরিয়ে আনার পথ তৈরি করেছিলেন।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে। কারণ তিনি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং সংবাদমাধ্যমকে রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে দেশের সংকটময় মুহূর্তে কোনো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে সহায়তা করেছিল।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, একজন সামরিক কর্মকর্তা হয়েও জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মানসিকতা তাঁকে একজন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি ভিন্নমতকে সম্মান করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য গণতান্ত্রিক পরিসর তৈরি করেছেন এবং জাতীয় সংসদকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্রনায়কই জনমানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারেন না, যদি তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভূমিকার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না রাখেন। শহীদ জিয়া শুধু সংবাদমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় সহায়তাই দেননি, বরং এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন যেখানে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে রাষ্ট্র ও সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।